হত্যার পর বিদ্যালয়ের পেছনে একটি গাছে হত্যাকারীরা শিক্ষকের লাশ ঝুলিয়ে রেখেছিল। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সোনাদহ গ্রাম থেকে গতকাল মঙ্গলবার লাশটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষক রেজাউল করিমের (৫৫) বাড়ি সোনাদহ গ্রামে। তিনি সোনাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি পল্লিচিকিৎসক ছিলেন। সোনাদহ বাজারে তাঁর একটি চিকিৎসালয় রয়েছে।
রেজাউল করিমের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, সোমবার মাগরিবের আজানের সময় সোনাদহ বাজারে চিকিৎসালয়ে যাওয়ার কথা বলে তাঁর স্বামী বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন সকাল আটটার দিকে গ্রামের একটি শিশুগাছের সঙ্গে শিক্ষকের লাশ ঝুলতে দেখে বড়দের জানায়।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান বলেন, শিক্ষকের পেট কাটা। গলায় ফাঁস দেওয়া রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।