শীতে কাপছে চুয়াডাঙ্গা। চলছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। রবিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করেছে এ জেলায়।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের দেয়া তথ্য মতে, রবিবার চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বনিম্ন।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গায় মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে শীতে এ জেলার মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যাবে।
এদিকে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতায় বিভিন্ন বয়সী মানুষ বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সর্দি-কাশি-জ্বর, ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ-বালাই দেখা দিচ্ছে। সেই সাথে শীত আতঙ্কে রয়েছে এ জেলার অসহায়-দরিদ্র মানুষগুলো।
সন্ধ্যা নেমে আসার সাথে সাথেই কুয়াশা আর শীত। প্রতিদিন রাত বাড়ার সাথে সাথে শীতের তীব্রতাও বাড়ছে। ভোরের দিকে শীতের তীব্রতা আরো বেশি। আর সকালে শীতের সাথে ঘন কুয়াশা।এদিকে হঠাৎ করেই শীতের তীব্রতায় বিভিন্ন বয়সী মানুষ বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সর্দি-কাশি-জ্বর, ঠান্ডাজনিত ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ-বালাই দেখা দিচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ডায়রিয়া আর নিউমোনিয়া আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে শতাধিক শিশু।
তবে শীতজনিত রোগ-বালাই থেকে বাঁচতে জেলার সব শ্রেনী-পেশার মানুষকে সচেতনতামূলক পরামর্শ দিচ্ছে চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ।
চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, চুয়াডাঙ্গা শীতপ্রবণ এলাকা। তাই শীতজনিত রোগও এ জেলায় বেশি। তবে ঠাণ্ডাকে অগ্রাহ্য না করে একটু সচেতন হলে সবধরনের রোগবালাই থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।
শীত নিবারণে সাধারণ মানুষ চেয়ে আছে সরকারি সাহায্য-সহযোগিতার দিকে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, শীতের তীব্রতা মোকাবেলায় সবধরনের প্রস্ততি রয়েছে জেলা প্রশাসনের। সেই সঙ্গে তিনি সমাজের বিত্তবান মানুষদেরও শীতার্তদের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।