বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ মানছেন অ্যাস্টল

গত ৭ বছরে ৩টি টেস্ট খেলেছেন। ২০১২ সালে একটা, ২০১৬ সালে একটা এবং ২০১৮ সালে একটা। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এমন হতাশা উপহার পাওয়ার পরও হাল ছাড়েননি টড অ্যাস্টল। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে লড়াই চালিয়ে গেছেন। এখনও আশা করছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়েই টেস্ট দলে নিয়মিত হবেন। সেই সাথে বলছেন, বাংলাদেশের বিপক্ষে ভালো করার জন্য প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটাই নিজেদের করে নিতে চায় নিউজিল্যান্ড।

ভারতের বিপক্ষে দেশের মাটিতে নাকাল হলেও পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দেশের মাটিতে সিরিজ জিতেছে নিউজিল্যান্ড। তাতে উঠে এসেছে তারা র্যাংকিংয়ের ২ নম্বরে। অ্যাস্টল বলছিলেন, এ জায়গাটা ধরে রাখতে বাংলাদেশের বিপক্ষেও ভালো করতে চান তারা। আর সে জন্য প্রথম টেস্টের প্রথম দিন থেকেই ভালো করতে চান, ‘আমার মনে হয়, আমরা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই মনোযোগ দিচ্ছি এখন। এরপর আমরা তিন ম্যাচের সিরিজে আস্তে আস্তে ঢুকবো। অবশ্যই আমরা এখন টেস্ট র্যাংকিংয়ের ২ নম্বরে আছি। এটা আমাদের জন্য অসাধারণ ব্যাপার। এটা আমাদের পক্ষ থেকে একটা বিবৃতি। এটা প্রমাণ করে যে, একটা দল হিসেবে গত কয়েক বছর আমরা কতোটা ভালো খেলছি।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য আজাজ প্যাটেল, ইশ সোধি ও উইলিয়াম সমারভিলের চেয়ে নির্বাচকরা এ অ্যাস্টলের ওপর আস্থা রেখেছেন। অ্যাস্টল ও সোধি এখন বিশ্বকাপের দলে ডাক পাওয়ার দৌড়েও আছেন। এ লেগস্পিনিং অলরাউন্ডার ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। ৩২০টি প্রথম শ্রেণির উইকেট নেওয়া অ্যাস্টল সম্প্রতি সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের বিপক্ষে ক্যান্টাবুরির জয়ের পথে ৪টি উইকেট নেন। অ্যাস্টল বলছেন, এতো কিছুর পরও বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে স্পিন বোলিং করাটা সহজ হবে না, ‘আমার মনে হয়, নির্বাচকরা আমার কাছ থেকে ভিন্ন কিছু চাচ্ছেন। আমাদের স্পিন আক্রমণে অনেক গভীরতা আছে। আমি জানি, বাংলাদেশ স্পিনকে আক্রমণ করার কথা চিন্তা করবে। তারা স্পিনের বিপক্ষে ভালো খেলে। ফলে এটা আমার জন্য, স্পিনারদের জন্য ভালো একটা চ্যালেঞ্জ। তাদের আটকে রাখা, উইকেট নেওয়াটা চ্যালেঞ্জিং হবে।’

অ্যাস্টলের নিজের জন্য এটা টিকে থাকারও লড়াই। ৭ বছরে মাত্র ৩টি টেস্ট খেলা অ্যাস্টল এ সিরিজ থেকেই নিজেকে নিয়মিত করার আশা করেন জাতীয় দলে। তিনি বলছিলেন, ‘আমি যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত। আমার টেস্ট পারফরম্যান্সের ভেতরে লম্বা লম্বা বিরতি আছে। আমি ২০১২ সালে একটা, ২০১৬ সালে একটা এবং ২০১৮ সালে একটা টেস্ট খেলেছি। আমার জন্য এ ফিরে আসাটা দারুণ ব্যাপার। এখন নিয়মিত সুযোগ পেতে চাই। আমি ক্যান্টাবুরির হয়ে গত কয়েক বছর ধরে পারফরম করছি। এখন আশা করি, আমি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও নিয়মিত পারফরম করবো এবং আরও বেশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাবো।’