রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতককে বৃহস্পতিবার দুপুরে পবা উপজেলার হাটরামচন্দ্রপুর এলাকা থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। এসময় ডিবি পুলিশ রামেক হাসপাতালের একজন আয়াসহ তিনজনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন, খালেদা বেগম, তার স্বামী জালাল উদ্দিন ও রামেক হাসপাতালের ২২ নং ওয়ার্ডের আয়া নার্গিস সুলতানা। নার্গিসের বাড়ি সাতক্ষিরায়। তিনি গত ৪ নভেম্বর রামেক হাসপাতালের আয়া পদে যোগদান করেন।
এদিকে উদ্ধারের পর শিশুটিকে মহানগর পুলিশের শাহ্ মখদুম থানা চত্বরের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে।
চুরির দিনই নবজাতকের পিতা তরিকুল অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে নগরীর রাজপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অন্যদিকে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। সার্জারি বিভাগের প্রধান আবদুল মোমেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির ৩১ ডিসেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করার কথা ছিল। কিন্তু তারা প্রতিবেদন দিয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাট পৌরসভার সুরসুনিপাড়ার তরিকুল ইসলামের স্ত্রী রুবিনা বেগম সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে সোমবার দুপুরে রামেক হাসপাতালে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। বেলা পৌনে তিনটার দিকে দায়িত্বরত সেবিকা প্রসূতিকে পোস্ট অপারেটিভ কেয়ারে রেখে নবজাতকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডে পৌঁছে দেন। ওই সময় প্রসূতি রুবিনার নানা মোজাফ্ফর ও নানি রহিমা বেগম নবজাতককে বুঝে নেন। তখন শিশুটির পিতা তরিকুল ইসলাম স্ত্রী রুবিনার সঙ্গে পোস্ট অপারেটিভ কেয়ারে ছিলেন। হস্তান্তরের কিছুক্ষণের মধ্যে অপরিচিত এক নারী ওই নবজাতককে ওয়ার্ড থেকে চুরি করে নিরুদ্দেশ নিয়ে যায়।