আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বিচার বিভাগের আসল উদ্দেশ্য হলো বিচারপ্রার্থী জনগণের কাছে দ্রুত বিচার পৌঁছে দেওয়া। আমরা যদি তা না পারি কিংবা সুষ্ঠু বিচার করতে না পারি তাহলে সেটা হবে বিচার বিভাগের ব্যর্থতা। এটা হলে জনগণ বিচার বিভাগের কাছে আসবে না এবং স্ট্রিট জাস্টিস প্রথা চালু হয়ে যাবে। যেটা জিয়াউর রহমান, এরশাদ এবং খালেদা জিয়ার আমলে চালু হয়েছিল। কারণ উনারা বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে একটি এফআইআরও করতে দেননি। গতকাল মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সলিসিটর অণুবিভাগে ‘ই-ফাইলিং’ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক, সলিসিটর জেসমিন আরা, যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা বক্তব্য রাখেন।
এর আগে সচিবালয়ে নিউইয়র্ক স্টেট গভর্নরের ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন’ এর ঘোষণাপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে শতভাগ সরকারি আইন কর্মকর্তা (পিপি/জিপি) নিয়োগ করা হয় রাজনৈতিক কোটায়। সরকার প্রাথমিকভাবে ৩০ শতাংশ আইন কর্মকর্তা বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগের চিন্তাভাবনা করছে। বাকি ৭০ শতাংশ নিয়োগ করা হবে রাজনৈতিক কোটায়। তিনি বলেন, জিপি/পিপিদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর প্রস্তাবটি সক্রিয় বিবেচনায় আছে। আশা করছি আগামী অর্থ বছরের জুলাই থেকে তা কার্যকর হবে। এজন্য বাড়তি প্রয়োজন ২৬৭ কোটি টাকা।