বাগেরহাটে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগে জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম, সাধারন সম্পাদক আলী রেজা বাবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিমসহ ৪'শ নেতাকর্মীর নামে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে বাগেরহাট মডেল থানার এস আই মহিন উদ্দিন বাদি হয়ে এই মামলা দায়ের করেন।
মামলায় উল্লেখ্যযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে, জেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক খাদেম নেয়ামুল নাসির আলাপ, যুগ্ন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুটুল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফফর আলম, যুবদলের সভাপতি মেহেবুবুল হক কিশোর, ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক তানু ভূঁইয়া,জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মুজিবুর রহমান,পৌর জামায়াত আমীর শেখ ইউনুসআলী,জেলা ছাত্রশিবির সাধারন সম্পাদক শমিম হাসান,জামায়াত নেতা মঞ্জুরুল হক রাহাদ,এ্যাডভোকেট মুস্তাইন বিল্লাহ সহ ৩১ জন নেতাকর্মীর নাম মামলার এহাজারে উলেখ করা হয়েছে।
বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আজম খান জানান, মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট সদর উপজেলার রনজিয়পুর ব্র্যাক অফিসের সামনে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কে রাস্তার উপর গাছের গুড়ি ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। এসময় পুলিশ তাদেরকে সরিয়ে দিতে গেলে তারা পুলিশের উপর হামলা করে এবং যানবাহন ভাংচুর করে। এসময় তাদের হামলায় মামলার বাদি এস আই মহিন উদ্দিন ও দুই পুলিশ সদস্য পরিমল ও বাদশা মিয়া আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম জানান, ‘বাগেরহাটে জেলা বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের আন্দোলন দমনে পুলিশ পরিকল্পিত ভাবে আমাকেসহ ৪শ নেতাকর্মীদের নামে একটি কাল্পনিক মামলা করেছে। মামলায় যে ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে তা সঠিক নয় বলে তিনি দাবী করেন’।