ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টি-টোয়েন্টি সিরিজের টিকিটগুলো দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আগামীকাল বুধবার ব্রিসবেনের গ্যাবায় শুরু হবে তিন ম্যাচের এ সিরিজ। তবে ভেন্যুগুলোর মধ্যে টিকিট বিক্রিতে এগিয়ে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি)।
দুই ক্রিকেট শক্তির লড়াইয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ইতোমধ্যে এক লাখের বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যম অনুমান করছে এক লাখ ৩৫ হাজারের উন্নীত হতে পারে টিকিট বিক্রি। এর মধ্যে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির ভেন্যু বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এমসিজিই বেশি দর্শক টানবে।
বিরাট কোহলির নেতৃত্বে ভারত এবার দীর্ঘ এক সফরে অস্ট্রেলিয়ায় গেছে। তিনটি টি-টোয়েন্টি ছাড়াও চারটি টেস্ট ও তিনটি ওয়ানডে খেলবে ভারত। অস্ট্রেলিয়ায় ভারতের সর্বশেষ সফর ছিল ২০১৬ সালে। সেবার ভারতীয় দল পাঁচটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছিল। ওয়ানডে সিরিজটি ১-৪ ব্যবধানে হারের পর এমএস ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত ৩-০ তে জিতেছিল টি-টোয়েন্টি সিরিজটি।
ধোনি অবশ্য এবারের দলে নেই। তার সাম্প্রতিক পারফর্মেন্সও ভাল নয়। তাই অনেকে মনে করছেন ধোনিকে আসলে বাদ দেয়া হয়েছে। তবে কোহলি বলছেন সাবেক অধিনায়ককে বিশ্রাম দেয়া হয়েছে তরুণদের পরখ করার জন্য। তবে ওয়ানডে সিরিজের সময় ধোনি দলে ফিরবেন বলে জানিয়েছে ভারতের এনডিটিভি টেলিভিশন।
কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ভারত এই ওয়ানডে সিরিজকে আইসিসি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে কাজে লাগাবে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলশে ৩০ মে শুরু হবে আইসিসির এই ওয়ানডে বিশ্বকাপটি যার সমাপ্তি ঘটবে ১৪ জুলাই।
টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর ৬ ডিসেম্ব শুরু হবে টেস্ট সিরিজ। অ্যাডিলেডে হবে প্রথম টেস্ট। এরপর পার্থ (১৪-১৮ ডিসেম্বর), মেলবোর্ন (২৬-৩০ ডিসেম্বর) ও সিডনিতে (৩-৭ জানুয়ারি) হবে অপর টেস্টগুলো। অস্ট্রেলিয়ায় কখনও টেস্ট সিরিজ জেতেনি ভারত। তাই কোহলির দলের সামনে আছে ইতিহাস গড়ার সুযোগ। ক্রিকেটামোদীদের আগ্রহও এখন তাই নিয়ে।
ওয়ানডে সিরিজ হবে জানুয়ারিতে। ১২ জানুয়ারি সিডনিতে হবে প্রথমটি। এরপর ১৫ ও ১৮ জানুয়ারি অপর দুটি ওয়ানডে হবে অ্যাডেলেইড ও মেলবোর্নে।
এদিকে সফরকারীদের দলে যেমন নেই ধোনি, তেমনি অস্ট্রেলিয়রাও পাচ্ছে না স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে। গত মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকায় বল টেম্পারিং কেলেঙ্কাডিরতে নিষিদ্ধ হন স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন ব্যানক্রফট। ওই কেলেঙ্কারির পর অস্ট্রেলিয়া দলের পারফর্মেন্সও এখন নিম্নমুখি। এ কারণে নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়রা কতটা সামর্থ্য দেখাতে পারে সেটাও কৌতূহল নিয়ে দেখবে ক্রিকেট বিশ্ব।