বাঙালি নারীর বিশেষ আকর্ষণ বাহারি গয়নায়

 
 
গয়নায় সাজতে পছন্দ করেন বাঙালি নারীরা। বাহারি গয়নায় তার মন ভরে যায়। তরুণিরা সালোয়ার-কামিজ বা ফতুয়া আর গৃহিনী শাড়ির সাথেই গয়না পরতে বেশি স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। আর তারই প্রতিফলন দেখা মিলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার গয়নার স্টল ও প্যাভিলিয়নগুলো ঘুরলে।
 
চুড়ি আর বৈচিত্র সব দৃষ্টিনন্দন ইমিটেশন গহনা মন কেড়ে নিচ্ছে প্রতিদিন মেলায় আগত নারী ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের। ক্রেতাকে আকৃষ্ট করতে বিক্রেতাদের জোর চেষ্টা। বাহারি গয়নায় সেজে বিক্রেতা নিজেই ক্রেতাকে আকর্ষণ করছে। বিক্রেতার সাজে সাজতে অনেকেই কিনে নিচ্ছেন বাহারি গয়না।
 
শনিবার মধ্যবয়সী নারী ও তরুণ-তরুণীদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি দেখা গেল গয়নার স্টলে। বেশিরভাগ স্টলগুলোও যেন সাজানো হয়েছে রমণীদের জন্যই। বিভিন্ন স্টলে তরুণি বিক্রয় কর্মীদের উপস্থিতি বাণিজ্য মেলাকে করে তুলেছে আরো প্রাণবন্ত, সজীব।
 
মার্বেল, বাঁকা মার্বেল, মাহা, প্রিন্স, হোয়াইট মানি, বোরাক, তুফান, বুহা পুকারড নামের বিভিন্ন চুড়ি পাওয়া যাচ্ছে মেলার পাকিস্তানি প্যাভিলিয়নে। দাম ১৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত।
 
স্টনের চেইন, নূপুর, হাতের ব্রেসলেট, মুক্তার মালা, কানের দুল পাওয়া যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন কে জেট ফ্যাশন জুয়েলার্চ প্যাভিলিয়নে। এসবের দাম ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে বলে জানান বিক্রেতা আলামিন।
 
ইরানি পাথর, রুপা ও মুক্তা দিয়ে তৈরী নানা গয়না পাওয়া যাচ্ছে ইরানি প্যাভিলিয়নে। এখানকার পাথরের আংটি বেশি কিনছে ক্রেতারা বলে জানালেন বিক্রেতা রহমান। ৪০০ টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে সব ধরনের গয়না পাওয়া যায় বলে জানান তিনি।
এছাড়া রক্ত প্রবাল, রুবী, পান্না, গোমেদ, হীরা, নীলা, পোখরাজ, একোয়ামেরিন ও আকিক পাথরের আংটিতে সাজানো প্যাভিলিয়নের আরেকটি স্টল। বিক্রেতা বলেন, নারী পুরুষ সবার কাছেই রয়েছে এসব পাথরের আংটির বিশেষ চাহিদা।
জবরুজ, ওপাল, নীলম ও আকিক পাথরের আংটি পাওয়া যাচ্ছে ডুবাই মেলা নামক প্যাভিলিয়নের একটি স্টলে।  আংটির মূল্য ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
 

সদ্য বিবাহিত রুবেল রানাকে গয়না কিনতে দেখা গেল তার স্ত্রীর জন্য। গয়না কিনতে কিনতে বললেন, ওর আবার পছন্দ আলাদা। গয়না মধ্যে মুক্তার মালা, পায়ে রূপার নূপুর আর কানে ছোট্ট দুটি দুল। মেলা ঘুরে এসবই আগে কিনলাম। এসব পেলে বেশ খুশি হবে।