এ দিকে, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা আনতে আসন্ন মুদ্রানীতি বাজারবান্ধব করার দাবি জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে আরো ৯টি দাবি জানিয়ে বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলো হলো—বর্তমান বাজারের প্রেক্ষাপটে সিআরআর ও এসএলআরের হার কমাতে হবে। এ ছাড়া, ব্যাংকগুলোর মোট দায়ের কমপক্ষে ১০ শতাংশ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য মাসিক-ভিত্তিতে মনিটরিং না করে বার্ষিক ভিত্তিতে করতে হবে। পাশাপাশি একক গ্রাহক ঋণসীমা সমন্বয়ের সময় সীমা আরো পাঁচ বছর বাড়াতে হবে। ঋণাত্মক হিসাবগুলোকে পুনরায় লেনদেনযোগ্য করার অনুমোদন দিতে হবে। এ ছাড়া, ৫ শতাংশ সুদে আগামী পাঁচ বছর মার্জিন ঋণ দিতে হবে। ভালো লভ্যাংশ দেয়া কোম্পানিগুলোকে ট্যাক্স রিবেটের আওতায় আনতে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর লভ্যাংশ না দেয়া কোম্পানিগুলোর ওপর ট্যাক্স আরোপের ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) মাধ্যমে পুঁজিবাজার প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করতে হবে।