পুঁজিবাজারে বড় দরতপন

 
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাবে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার পারদ নিম্নমুখী হচ্ছে। দিনে দিনে পুঁজিবাজারের সূচক ও লেনদেন কমে যাচ্ছে। রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক ৮১ পয়েন্ট কমেছে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক কমেছে ২৭৯ পয়েন্ট। লেনদেন নেমে এসেছে আড়াইশ’ কোটি টাকারও নিচে।
আইডিএলসি’র দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাজারে বিক্রয়ের চাপ বেড়ে যাওয়ায় সূচক কমে গেছে। কমতে কমতে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক চার মাস আগের পরিস্থিতিতে চলে এসেছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা বাজারে বিনিয়োগ না করে বাজার সতর্ক অবস্থান করছেন। এজন্যই লেনদেন ও সূচক কমে যাচ্ছে। এদিকে বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে শীর্ষে ছিল বস্ত্র খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৪৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের ২১ ভাগ। আগের দিনের তুলনায় এ খাতে লেনদেন বেড়েছে ৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে এ খাতের সিএন্ডএ টেক্সটাইলের অবদানই বেশি। আর খাত ভিত্তিক দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাত। এ খাতের শেয়ারগুলোর দাম বেড়েছে দেড় শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৮১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ৩২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৪৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২২৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৭ লাখ টাকা বেশি।
লেনদেনকৃত ৩০৬টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৭২টির, কমেছে ৮৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৯টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২৭৯ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৪৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৩ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৩৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির কমেছে ১৮২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের।