হরতাল-অবরোধে প্লাস্টিক খাতে প্রতিদিন ক্ষতি হচ্ছে ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা। সে হিসাবে গত কয়েকদিনে এখাতে ২০০ কোটি ক্ষতি হয়েছে। রবিবার বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন (বিপিজিএমইএ) এ দাবি করেছে।
‘দশম ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল প্লাস্টিক, প্যাকেজিং এন্ড প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফেয়ার-২০১৫’ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
পল্টনের অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিপিজিএমইএ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের প্লাস্টিক তৈরি করতে যে কাঁচামালের দরকার হয়, হরতাল-অবরোধে তা প্রয়োজন মতো সরবরাহ করতে পারিনি। যার কারণে প্লাস্টিক উত্পাদন ব্যাহত হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার দিচ্ছে না। অর্ডার অন্য দেশে চলে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্লাস্টিক খাতের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশে এ ধরণের নৈরাজ্য চলতে থাকলে সে সম্ভাবনা ব্যাহত হবে। তাই দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করে এমন কর্মকান্ড থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে সরে আসতে আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী মঙ্গলবার থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ১০ম আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলা শুরু হচ্ছে। চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। বিপিজিএমইএ এর পাশাপাশি মেলার সহআয়োজক হিসাবে থাকবে চ্যান চাও ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লি. (তাই্ওয়ান) এবং ইওরকার্স ট্রেড অ্যান্ড মার্কেটিং সার্ভিস কো. লি. (হংকং)। ৮টি দেশের ২২০টি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ৩৫০টি বুথে তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে। মেলা দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত চলবে। সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য মেলায় প্রবেশ ফ্রি। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিপিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি মো. ইউসুফ আশরাফ, ফেরদৌস ওয়াহেদ, সামিম আহমেদ, বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।