ডিএসইতে সূচক ও লেনদেন বেড়েছে

 
 
 
 
কয়েক দিন ধরে শেয়ারবাজারে পতনমুখী প্রবণতার পর মঙ্গলবার উভয় শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ফিরে এসেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৪৮ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনও কিছুটা বেড়েছে। আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজারবিশ্লেষণে বলা হয়েছে—কয়েক দিন দরপতনের পর মঙ্গলবার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার ক্রয়ে আগ্রহ কিছুটা বেড়েছে। ডিএসইর লেনদেনের প্রাধান্য ছিল বস্ত্র ও ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক খাতে। জিএসপি ফাইনান্স ৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করায় এ কোম্পানি ঘিরে লেনদেন বেড়েছে। ফলে গোটা আর্থিক খাতেই লেনদেন হয়েছে বেশি। বস্ত্র ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক খাত ঘিরে লেনদেন হয়েছে ৬১ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের ২৮ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে—মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৪৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৫৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১০ কোটি ৮১ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৫টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৯টির, কমেছে ৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টি কোম্পানির শেয়ারের।
অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ১১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৪১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৫১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ১ কোটি টাকা বেশি লেনদেনকৃত ২৩০টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৫১টির, কমেছে ৫৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৩টি কোম্পানির শেয়ারের।
এ দিকে, ডিএসই জানিয়েছে—সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিকহারে শেয়ারদর বাড়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। শেয়ারদর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে পাঠানো নোটিসের প্রেক্ষিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে—গত ৭ কার্যদিবস ধরে এ কোম্পানির শেয়ারদর ৪৩ দশমিক ৪ টাকা বা ২২ দশমিক ০৬ শতাংশ বেড়েছে।