রাণীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নে দুস্থ মহিলা উন্নয়নের (ভিজিডি) তালিকা তৈরিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এই বিষয়ে ওই ইউনিয়ন পরিষদের চারজন সদস্য নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মিরাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নিয়মমাফিক তার ইউনিয়নের সদস্যদের প্রদান করা তালিকা গ্রহণ না করে কতিপয় বহিরাগত লোকদের পছন্দমাফিক ও নিজের মনগড়া হিসেবে দুস্থদের নামের তালিকা করেছেন। এতে করে ওই ইউনিয়নের প্রকৃত দুস্থ ব্যক্তিরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। মনগড়া তালিকা বাদ দিয়ে বঞ্চিত ইউপি সদস্যদের সমন্বয়ে অতিদ্রুত একটি সুষ্ঠু ভিজিডি তালিকা তৈরি করার দাবি জানানো হয়। ভিজিডি তালিকা ছাড়াও বিভিন্ন কাজে চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউপি সদস্যদের সমন্বয়হীনতার সৃষ্টি হয়েছে। যার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়মিত কাজে চরম জটিলতা দেখা দিয়েছে। চেয়ারম্যানের এসব নিয়মবহির্ভূত কাজের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান ইউপি সদস্যরা।
ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ সাহেব আলী বলেন, চেয়ারম্যান শুরু থেকেই কতিপয় ব্যক্তিদের নিয়ে নিজের ইচ্ছেমাফিক কাজ করে আসছেন। চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের সমন্বয়ে কোনো কাজই করেন না। বিগত দিনেও বিভিন্ন অনিয়মের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।
মিরাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি সম্পন্ন মিথ্যে। কমিটির প্রধান উপদেষ্টা যেভাবে তালিকা তৈরি করার জন্য বলেছেন ঠিক সেভাবে তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এখানে আমার কিছু করার নেই। নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, এই বিষয়ে আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।