সিডিবিএলের চার্জ কমানোর সুপারিশ

 
 
 
শেয়ার সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) মাসুল কমানোর প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পাশাপাশি, নতুন প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়ার বিষয়েও প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই। বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সঙ্গে এক  বৈঠকে এ সব প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে।
বিএসইসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন। বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া, বিএসইসির কমিশনারবৃন্দ এবং ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. স্বপন কুমার বালাসহ পরিচালকবৃন্দ।
জানা গেছে, বর্তমানে শেয়ার নিষ্পত্তি, লেনদেন ও স্থানান্তরের ক্ষেত্রে শেয়ারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্যের ওপর ০.০১৭৫ শতাংশ হারে ফি নিচ্ছে সিডিবিএল। শেয়ারদরের ভিত্তিতে মাসুল নির্ধারণ করায় মাসুলের পরিমাণ হচ্ছে বেশি। প্রতিদিনকার লেনদেনের চার্জ ছাড়াও সিডিবিএল শেয়ার ডিমেট, ট্রান্সফার, রাইট বা বোনাস শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রেও বাড়তি ফি নিচ্ছে। এ সব চার্জ কমানোর জন্য বিভিন্ন পক্ষের দাবির প্রেক্ষিতে ডিএসইর পক্ষ থেকে সিডিবিএল মাসুল কমানোর প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে আইপিও প্রক্রিয়ার নতুন পদ্ধতি চালু করতে সব ট্রেকহোল্ডারদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিতে বলেছে বিএসইসি। এ ছাড়া, ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথকীকরণ (ডিমিউচ্যুয়ালাজেশন) আইনানুসারে ৩ বছরের মধ্যে কৌশলগত বিনিয়োগকারী পরিচালক খুঁজতে বলেছে বিএসইসি। বৈঠকের বিষয়ে ডিএসইর একজন পরিচালক জানিয়েছেন—বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ডিএসইর বৈঠকের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ডিএসইর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই বৈঠকটি যাতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি ও ডিএসই তথা ত্রিপক্ষীয় হয়। তিনি জানান—বর্তমান বাজার পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সিডিবিএল চার্জ কমানোর জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারের স্বার্থে এ খাতে কর কমানোর জন্য বিএসইসিকে অনুরোধ জানিয়েছে ডিএসই। তা ছাড়া এবার ট্রেকহোল্ডারদের লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএসইসিকে জানিয়েছে ডিএসই। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর যে সব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।