টানা ছয় কার্যদিবস ধরে পুঁজিবাজারের সূচক বাড়ছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় প্রায় এক মাস ধরে বড় দরপতনের পর গত ছয় দিন ধরে সূচক বাড়লেও লেনদেন এখনো ৩০০ কোটি টাকার নিচেই রয়ে গেছে। তবে মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ বেড়েছে।
আইডিএলসির দৈনন্দিন বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে—রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কোনো বাস্তব লক্ষণ দেখা না গেলেও বাজার তলানি থেকে কিছুটা উঠে আসছে। প্রায় এক মাসের দরপতনের ফলে অনেক কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এ শেয়ারগুলো ক্রয় করছেন। এ জন্যই সূচক বাড়ছে। মঙ্গলবার ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ৩৫ শতাংশ ছিল জ্বালানি এবং ইঞ্জিনিয়ারিং খাত ঘিরে।
তথ্যে দেখা গেছে—মঙ্গলবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৭৪ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্যসূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৮৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৯৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩০৭টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ২৩৬টির, কমেছে ৩৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। অপর দিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ২৪০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৬ কোটি ১০ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ৪ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৩৯টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৮টির, কমেছে ৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি কোম্পানির শেয়ারের।
এ দিকে, ডিএসই সূত্রে জানা গেছে—সম্প্র্রতি অত্যধিক হারে শেয়ারদর বাড়ার পেছনে কোনো সংবেদনশীল তথ্য নেই এসিআই ফরমুলেশনের। দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসইর পাঠানো নোটিসের পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—দুই কার্যদিবসের সংশোধন ব্যতীত গত ১১ কার্যদিবসে এসিআই ফরমুলেশনের দাম বেড়েছে ২১ দশমিক ৭৩ শতাংশ।