পুঁজিবাজারে সোমবারও দর সংশোধনের প্রবণতা রয়ে গেছে। টানা আট কর্মদিবস দর বৃদ্ধির পর এ সপ্তায় কিছুটা দর সংশোধন হচ্ছে। তবে এর আগে প্রায় এক মাস দর পতন হয়েছিল পুঁজিবাজারে।
এদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় দরপতন হলেও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। লেনদেনে প্রাধান্য ছিল ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্বালানি, ওষুধ এবং বস্ত্র খাতের। এ চার খাতে লেনদেন হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ৪৮ শতাংশ।
এদিকে দর কমার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর কমেছে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ। এছাড়া ইফাদ অটোস লিমিটেডেরও দর কমেছে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।
তথ্যে দেখা গেছে, ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) ৬১ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৭৬৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএস-৩০ মূল্য সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৭৭৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ২৮০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। যা আগের দিনের চেয়ে ১৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ৩১৩টি কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৮টির, কমেছে ২১০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৫টি কোম্পানির শেয়ারের। অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্য সূচক আগের দিনের চেয়ে ২০২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৬০২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। যা আগের দিনের তুলনায় ২ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৪৩টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৪টির কমেছে ১৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারের।
সিএসই সূত্রে জানা গেছে, বুকবিল্ডিং পদ্ধতির আওতায় প্রথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) আবেদনকারীদের কাছ থেকে ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে ৮৩৭ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়েছে। কোম্পানিটি শেয়ারবাজার থেকে ২৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা উত্তোলনের জন্য ৩ কোটি ৩০ লাখ সাধারণ শেয়ার ছেড়েছে। ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সঙ্গে ৬২ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৭২ টাকা। অর্থাত্ এ কোম্পানির চাহিদার প্রায় ৬ গুণ আবেদন জমা পড়েছে।
এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট্রোলিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক এবং ইনফরমেশন সার্ভিসের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির পেছনে কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছে ডিএসই। কোম্পানিগুলোর কাছে দর বৃদ্ধির পেছনে কোন কারণ রয়েছে কিনা এ বিষয়ে পাঠানো নোটিশের প্রেক্ষিতে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।