চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন বলেছেন, ‘ডিমিউচুয়ালাইজড (স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ এবং বাণিজ্যিক কোম্পানিতে রূপান্তর) হলেও মুনাফা নয় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কাজ করাই সিএসইর প্রধান লক্ষ্য। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা হলেই স্টক এক্সচেঞ্জের উন্নয়ন হবে।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে সিএসইর নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিমিউচুয়ালাইজেশনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিএসইর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ, পরিচালক মুহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, শাখাওয়াত হোসাইন, মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মুহাম্মদ খায়রুল আনাম চৌধুরীসহ আরো অনেকে।
সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি-উল-মারুফ মতিন তার বক্তব্যে বলেন, ‘চলতি বছরে আমরা বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছাতে চাই। তাদের অভিযোগ জেনে তা সমাধান করে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে সর্বোচ্চ কাজ করতে আমরা আগ্রহী। এ জন্য বাংলায় ওয়েবসাইট করা হবে। অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ খোলা হবে। যেন বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সরাসরি জানতে সহজ হয়।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের কাছে বিনিয়োগকারীদের ১ হাজার ২৪টি অভিযোগ রয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে এ অভিযোগ শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চাই। সিএসই মার্কেটর উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের নিয়ে একটি মার্কেট ম্যাকার গঠন করা হবে। এ ছাড়া, সিএসইতে বর্তমানে ৫১টি কোম্পানি ওভার দ্যা কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে তালিকাভুক্ত আছে। এদের মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে না। সরেজমিন পরিদর্শন করার পর এ কোম্পানিগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নেব। আর যে কোম্পানিগুলো মার্কেটে ফিরতে আগ্রহী আমরা তাদের সব ধরনের সহায়তা করব।
সিএসইর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ বলেন, ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর সিএসইর পর্ষদে ট্রেকহোল্ডার পরিচালক কমে স্বতন্ত্র পরিচালকদের সংখ্যা বেড়েছে। রেগুলেটরি বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে। ফলে স্টক এক্সচেঞ্জের কাজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করছে।