দেশ জুড়ে সৃজনশীল মেধা প্রতিযোগিতা শুরু ১ মার্চ

শহর-গ্রামের শিক্ষার বৈষম্য নিরসন এবং অবহেলা-অনাদরে বেড়ে ওঠা শিক্ষার্থীদের প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে আগামী ১ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা। ৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বাছাই প্রতিযোগিতা ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ১-৩ মার্চ, জেলা পর্যায়ে ৭-৯ মার্চ, বিভাগীয় পর্যায়ে ১২-১৫ মার্চ এবং ঢাকা মহানগর পর্যায়ে ১৬-১৯ মার্চ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে ২২ মার্চ।
মন্ত্রী জানান, ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম, ৯ম থেকে ১০ম ও একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির তিনটি ভাগ করা হয়েছে। তবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতার বাইরে থাকে। চারটি বিষয়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা হবে। এগুলো হবে— ভাষা ও সাহিত্য, ৬ষ্ঠ-৮ম শ্রেণির দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও ৯ম-১২শ শ্রেণির বিজ্ঞান, গণিত ও কম্পিউটার এবং বাংলাদেশ স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ।

নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে ৫০ নম্বরের মেধা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রতি পর্যায়ে ৩টি গ্রুপে ৪টি বিষয়ে একজন করে সেরা শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়। প্রতিষ্ঠান পর্যায়ের প্রতিযোগিতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ উদ্যোগে আয়োজন করে সেরা ১২ জনের নাম উপজেলা শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করে। প্রতি উপজেলার সেরা ১২ জন জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে, প্রতি জেলার সেরা ১২ জন বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ৭ বিভাগের ৮৪ জন ও ঢাকা মহানগরীর ১২ জন অর্থাত্ মোট ৯৬ জন জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে। এখান থেকে ৪ বিষয়ে একজন করে ৩টি গ্রুপে মোট ১২ জনকে বছরের সেরা মেধাবী ঘোষণা করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে সেরা ১২ জনকে ১ হাজার টাকা করে, জেলা পর্যায়ের ১২ জনকে ১৫শ টাকা করে, বিভাগীয় পর্যায়ের সেরা ১২ জনকে ২ হাজার টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হয়। জাতীয় পর্যায়ে বছরের সেরা ১২ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে এক লাখ করে টাকা পুরস্কার প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী অবশিষ্ট ৮৪ জনকে ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়।