ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) শনিবার অভিজিৎ হত্যা মামলার তদন্তভার দেয়া হয়েছে। শনিবার শাহবাগ থানা থেকে ডিবিতে এ মামলা স্থানান্তর করা হয়।
এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই মার্কিন নাগরিক অজিত্ রায়ের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। ঢাকার আমেরিকান দূতাবাসের ঊর্ধ্বতনদের পাশাপাশি এফবিআই গোয়েন্দারা শনিবার দুপুরে রমনা থানাধীন অজয় রায়ের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বাসায় গিয়ে দেখা করেছেন। অভিজিতৎ রায় ও তার স্ত্রী ডা. রাফিদা আহমেদ বন্যা আট বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নেন।
র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আবুল কালাম আজাদ জানান, বাংলাদেশে আসার পর ফেসবুক ও ব্লগে অভিজিত্ একুশে বই মেলায় তার প্রকাশিত বই সম্পর্কে তথ্য দিয়েছিলেন। বই মেলায় তার বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে দেশে এসেছিলেন, এটিও তিনি সেখানে উল্লেখ করেছেন। ফেসবুক ও ব্লগের এসব তথ্য ঘাতকরা আগে থেকে ফলো করছিল। এর পাশাপাশি তার মোবাইল ফোনে কোন সন্দেহভাজন কল আছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে।
অভিজিত্ হত্যার ঘটনার পর মৌলবাদী বিভিন্ন মতাদর্শের ব্লগে উল্লাস প্রকাশ করে তথ্য দিয়েছে। ঐসব ব্লগে উল্লাস প্রকাশকারীদের সঙ্গে হত্যার কোন সংশ্লিষ্টতা আছে কী না তা খতিয়ে দেখছে। ইতোমধ্যে অন্তত ৪ টি ব্লগ ব্যবহারকারীদের র্যাব শনাক্ত করেছে যারা অভিজিৎকে হত্যার পেছনে উল্লাস প্রকাশ করেছে। ব্লগার আহমেদ রাজীব হত্যার নেপথ্যে প্রধান রানাকে ডিবি ও র্যাব খুঁজছে।
এফবিআইয়ের সঙ্গে কথা হওয়া প্রসঙ্গে অজয় রায় বলেন, অভিজিত্ আমেরিকান নাগরিক ছিল। কাজেই যুক্তরাষ্ট্র সরকারও এ বিষয়ে উদ্বিঘ্ন। অভিজিেক হত্যার পরপরই আমেরিকান দূতাবাসের উর্ধ্বতনদের পাশাপাশি তাদের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সঙ্গেও তার কথা হয়। তারা বাংলাদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে অভিজিত্ হত্যাকান্ডে তদন্তে সহযোগিতা করতে চেয়েছে।