মৌলবাদ রুখতে হলে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে ------------------ মত্স্য প্রতিমন্ত্রী

মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন, উগ্র মৌলবাদকে রুখতে হলে প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এখনো ’৭১ এর পরাজিত শত্রুরা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এই সমস্ত মৌলবাদকে আর সুযোগ দেয়া যাবে না। এজন্য দেশে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে। মৌলবাদকে রুখতে হলে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে।

শুক্রবার নেত্রকোনা জেলা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী আয়োজিত পাবলিক হলে অনুষ্ঠিত বার্ষিক জেলা সম্মেলন এবং নেত্রকোনার তিন বিশিষ্টজনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ এখন আমাদের ভিশন। গ্রাম আর শহরের মধ্যে বৈষম্য দূর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী এই কাজ হাতে নিয়েছেন।

তিনি উদীচী প্রসঙ্গে বলেন, এই সংগঠন দেশের সর্ববৃহত্ সাংস্কৃতিক সংগঠন। মৌলবাদকে রুখতে হলে এই ধরনের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে নিয়ে কাজ করতে হবে। উদীচী জাগরণের জন্য সবসময়  কাজ করেছে। আমরা তথাকথিত মৌলবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করতে চাই, গড়ে তুলতে চাই। তবে এজন্য দেশের অর্থনৈতিক ভিতকে শক্তিশালী করতে হবে। রাজধানীর বাইরে জেলায় জেলায় সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে হবে।

উদীচীর জেলা সভাপতি মোজাম্মেল হক বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক হাবিবা রহমান খান শেফালী, উদীচীর কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক জামশেদ আনোয়ার তপন, সংবর্ধিত তিনজন যথাক্রমে- প্রবীণ চিকিত্সক ডা. এম এ হামিদ খান, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মতীন্দ্র সরকার এবং স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির নির্বাহী পরিচালক ও নারী নেত্রী বেগম রোকেয়া প্রমুখ।