বছরে ৪০ মিলিয়ন টনের বেশি ই-বর্জ্য

 
জীবনকে স্বাচ্ছন্দ্যের করতে বিশ্বব্যাপী মানুষজন এখন বহু ইলেকট্রনিক সামগ্রী ব্যবহার করে। মেয়াদ শেষ হলে দাম দিয়ে কেনা টেলিভিশন, মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপের মতো বিলাসী সামগ্রীর আর সব বর্জ্যের মতোই জায়গা মেলে ভাগাড়ে। রবিবার বিবিসি এই তথ্য জানিয়েছে।
 
জাতিসংঘের করা এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, গত বছর বিশ্বব্যাপী ৪০ মিলিয়ন টনের বেশি ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে মোটে ১৫ শতাংশ রি-সাইকেল করা হয়েছে।
জাতিসংঘ বলছে ভাগাড়ে জায়গা পাওয়া এসব বর্জ্যের মূল্য হবে পাঁচ হাজার কোটি ডলারের মতো। এসব বর্জ্যেরও যে এতো দাম তা বেশিরভাগ দেশই এখনো ধারণা করতে পারেনি।
 
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ডেভিড ম্যালোন বলছেন, এসব বর্জ্য থেকে পাওয়া যেতে পারে লোহা, কপার এমনকি সোনার মতো দামি ধাতব পদার্থ।
 
কিন্তু একই সাথে এগুলো সংগ্রহ করতে হলে বিপজ্জনক টক্সিক ক্যামিকেলের সংস্পর্শেও আসতে হবে।

আগামী তিন বছরে বিশ্বব্যাপী ই-বর্জ্যের পরিমাণ ২০ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই অবিলম্বে সেগুলো কিভাবে নিরাপদে রি-সাইকেল করা যায় সে ব্যবস্থা নেবার জন্য জোর দিয়েছে জাতিসংঘ।