দূতাবাস খোলার বিষয়ে কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শিগগিরই

যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা দূতাবাস পুনরায় খোলার বিষয়ে আলোচনার জন্যে শিগগিরই বৈঠকে বসছে। ওয়াশিংটনে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে। উভয় দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কোন্নয়নে এটি তাদের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রোডরিগুয়েজ এ কথা জানান। খবর এএফপির।

 
তিনি বলেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দূতাবাসসমূহ পুনরায় খোলার বিষয়ে সামনের সপ্তাহগুলোতে নতুন করে আলোচনা হবে। তবে আলোচনার দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি বলে তিনি জানান। গত বছর ১৭ ডিসেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও কিউবার রাউল ক্যাস্ট্রোর কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক ঘোষণার পর উভয়দেশ বেশ কয়েক দফা বৈঠক করে। উল্লেখ্য ১৯৬১ সাল থেকে দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন ছিল। ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্রদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, আগামী সপ্তাহে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। তবে দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি বলেও তিনি জানান। এর আগে উভয় দেশের মধ্যে গত ১৬ মার্চ সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
 
উল্লেখ্য, কানাডায় এবং ভ্যাটিকানে পোপের সরাসরি সম্পৃক্ততায় প্রায় এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা গোপন আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ঘোষণা আসে। কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হচ্ছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক        ওবামা নিজেই মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেন, কিউবার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আচরণ সেকেলে ছিল এবং এই পরিবর্তন ৫০ বছরে কিউবার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নীতির খুব গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।
 

কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো এই পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিউবা অনেক দিন ধরে যা চেষ্টা করছিল, এই পরিবর্তন তার সামান্য কিছু। তিনি ইঙ্গিত দেন ওয়াশিংটনের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্কের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে।