এসডিজির লক্ষ্য অর্জনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টর (এসডিজি) লক্ষ্য বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে বাড়তি বিনিয়োগ করতে হবে ৯২৮.৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর বড় অংশ যোগাড় করতে হবে বেসরকারি খাত থেকে। বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ রাজস্ব আয় আসছে বেসরকারি খাত থেকে। এ জন্য এসডিজির লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে সংযুক্ত করতে হবে। উদ্ভাবনী কার্যক্রমে এগিয়ে আসতে হবে। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলাসহ কর্পোরেট সুশাসন গড়ে তুলতে হবে।

ইন্সটিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) এর উদ্যোগে গতকাল শনিবার আয়োজিত এসডিজি : বেসরকারি খাতের ভূমিকা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি সেমিনারে এ আহ্বান কর হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজির মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ। আলোচনায় অংশ নেন এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মো. সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, এমসিসিআই প্রেসিডেন্ট নিহাদ কবির, এফআইসিসিআই প্রেসিডেন্ট শাহজাদ মুনিম, ঢাকা চেম্বারের সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ ইব্রাহিম, ইউএনডিপির সহকারী কান্ট্রি ডিরেক্টর শায়লা খান। সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট সাব কমিটির চেয়ারম্যান মো. আসাদ উল্লাহ। মূল উপস্থাপনায় তিনি উল্লেখ করেন, এসডিজি বাস্তবায়নে আমাদের বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, এসডিজির সূচকগুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হওয়া উচিত। আমাদের উদ্ভাবনী হতে হবে। বাংলাদেশের পরিসংখ্যান ব্যুরোকে শক্তিশালী করা উচিত। উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে দক্ষ শ্রমিক ও উত্পাদনশীল কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। বেসরকারি খাতকে এসডিজিগুলোর সাথে সমন্বিত করা উচিত। দেশের প্রফেশনাল ইন্সটিটিউট এর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা উচিত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, দেশের সর্বোত্তম অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে কর্পোরেট গভর্নেন্স অপরিহার্য। এমডিজির মতোই বাংলাদেশ এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমানভাবে আত্মবিশ্বাসী। ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সানাউল্লাহ উল্লেখ করেন, কর্পোরেট গভর্নেন্স অনুশীলন করা সময়ের চাহিদা। কোম্পানির সুশাসন নিশ্চিত করা টেকসই উন্নয়ন সমর্থন করার মূল উপাদান। বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ থেকে ক্রমান্বয়ে উন্নত দেশে উন্নীত হতে চায়। এ জন্য সুশাসন, আইনের শাসন কার্যকর করতে হবে।