কানাডায় ২০ ভাগ বাংলাদেশির আয় দারিদ্রসীমার নিচে

কানাডায় ২০ ভাগ বাংলাদেশি অভিবাসীর আয় দারিদ্রসীমার অনেক নিচে। যার সিংহ ভাগই ব্যয় হয় বাসা ভাড়ায়।  আয়ের অবশিষ্ট ভাগ ব্যয় হয় জীবনধারণ করতে। সঞ্চয় বলতে আর কিছুই থাকে না। তাই স্বল্প আয়ের এই অভিবাসীদের কেউ কেউ বাধ্য হয়েই সরকারি ভাতা গ্রহণ করছেন। 
 
সম্প্রতি কানাডা সরকারের এক অভ্যন্তরীণ জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। 
 
দেশটির টরস্টার নিউজ সার্ভিসের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, নতুন অভিবাসীদের মধ্যে আয়ের দিক থেকে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ান থেকে আসা লোকেরা। 
 
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কানাডায় নতুন আসা অভিবাসীদের আয়ের প্রকৃত চিত্র কি তা যাচাই করতে ২০১১ সালের ন্যাশনাল হাউজহোল্ড সার্ভের ডাটা বিশ্লেষণ করে দেখে সিটিজেশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন কানাডা। ৫২ দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের আয়ের তথ্য যাচাই-বাছাই করে দেখা গেছে- চীন, হাইতি, পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, তুরষ্ক, কলম্বিয়া, ইরান, মরোক্কো, আফগানিস্তান, তাইওয়ান, আলজিরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরাক এবং বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীদের শতকরা প্রায় ২০ জন দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছেন। 
 
জনপ্রতি যাদের বাৎসরিক আয় ১৮,৭৫৯ ডলারের নিচে তারা দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছেন বলে কানাডা বিবেচনা করে।