এলপিজির দাম কমাতে হবে —জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুত্, জ্বলানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, সরকার ৬০টি কোম্পানিকে প্রাথমিক এলপিজি আমদানি ও বোতলজাত করার অনুমতি দিলেও মাত্র ২২টি কোম্পানি এলিপিজি বিপণনে এসেছে। এর মধ্যে কয়েকটি বড় কোম্পানি ভালোভাবে বাজারজাত করছে। সাশ্রয়ী মূল্যে নিরাপদ এলপিজি সরবরাহ করতে হবে। এ গ্যাসের দাম কমিয়ে আনতে হবে। কোম্পানিগুলো থেকে ডিলার পর্যন্ত শৃঙ্খলা ঠিক রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সাব ডিলার, এজেন্ট বা খুচরা পর্যায়ে নিরাপত্তা মানদণ্ড রক্ষিত হচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরদের এখন এটি ঠিক করতে হবে।

গতকাল রবিবার রাজধানীতে দক্ষিণ এশিয়া এলপিজি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এলপিজি অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সম্মেলনে দেশি-বিদেশি ৮০টি কোম্পানি ও সংস্থা অংশগ্রহণ করছে। ২০১৭ সাল থেকে এ বার্ষিক সম্মেলন আয়োজিত হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৭ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি সরবরাহ করা হচ্ছে। এলপিজির দাম এখন অনেক বেশি। এটি কমিয়ে আনতে হবে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিপিসির চেয়ারম্যান মোঃ শামসুর রহমান, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান, এলপিজি অপারেটরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আজম জে চৌধুরী, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মোঃ শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, ওয়ার্ল্ড এলপিজি এসোসিয়েশনের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিখায়েল কেলি।