বিয়াদ-সৌম্যর সেঞ্চুরির পরও ইনিংস পরাজয়

একদিন আগে থেকেই বাংলাদেশকে হাতছানি দিচ্ছিল ইনিংস পরাজয়। গতকাল নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ইনিংস ব্যবধানেই হেরেছে বাংলাদেশ। তার আগে যা একটু সম্মান বাঁচিয়েছেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকার। দু’জনে সেঞ্চুরি করেছেন, বড় একটা জুটি করেছেন। তারপরও ইনিংস পরাজয়টা এড়ানো যায়নি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন টেস্ট সিরিজের প্রথম টেস্টে, হ্যামিলটনে গতকাল বাংলাদেশ হেরেছে এক ইনিংস ও ৫২ রানে। ১৪৯ রান করেছেন সৌম্য সরকার এবং রিয়াদ করেছেন ১৪৬ রান।

এই টেস্টে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলে দিয়েছিল প্রথম ইনিংসই। তামিম ইকবালের সেঞ্চুরির পরও বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিলা ২৩৪ রানে। জবাবে ৬ উইকেটে ৭১৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে নিউজিল্যান্ড। ৪৮১ রান পেছনে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট শুরু করে বাংলাদেশ।

তামিম আরও একবার শুরুতে হাল ধরেন। তিনি করেন ৭৪ রান। আর সাদমান ইসলাম ৩৭ রান করেন। ফলে বিনা উইকেটে ৮৮ রান তুলে ফেলেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিঠুনের ধারাবাহিক ব্যর্থতায় ১২৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। সৌম্য ও রিয়াদ আগের দিনই জুটি করে ফেলেছিলেন। তাদের কল্যাণে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছিল রিয়াদের দল।

গতকাল তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ ছিল, ব্যবধান ঘুচিয়ে বাড়তি কিছু রান করা। যাতে নিউজিল্যান্ডকে আরেক বার ব্যাট করতে হয়। ২৩৫ রানের জুটি করে রিয়াদ ও সৌম্য সেই সম্ভাবনা তৈরি করেন।

এটা ছিল বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের ষষ্ঠ সর্বোচ্চ রানের জুটি। পঞ্চম উইকেটে এটা বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহ। ১৭১ বলে ২১টি চার ও ৫টি ছক্কায় ১৪৯ রান করে সৌম্যর আউটের ভেতর দিয়ে এই জুটি ভাঙে। সৌম্য সেঞ্চুরি করেছিলেন ৯৪ বলে। এটা বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরি। এর আগে রেকর্ডটা ছিল তামিম ইকবালের একার।

 সৌম্য আউট হওয়ার পরও রিয়াদ লড়াই চালিয়ে গেছেন। কিন্তু লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজরা ১টি করে রান করেই আউট হয়ে যান। ফলে রিয়াদ একা আর বেশিদূর যেতে পারেননি। তিনি নবম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়েছেন। তার আগে ২২৯ বলে ২১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ১৪৬ রানের ইনিংস খেলেন রিয়াদ।