স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংসদকে জানিয়েছেন, উপজেলায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে ৪৭ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করে সরকার। গতকাল রবিবার সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত প্রশ্নোত্তরে ময়মনসিংহ-৮ আসনের জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী বিনামূল্যে সরবরাহকৃত ওষুধের মধ্যে টেবলেট রয়েছে- প্যারাসিটামল, হিস্টাসিন, অ্যান্টাসিড, কট্রিম, পেনিসিলিন, মেট্রোনিডাজল, এফএস (আয়রণ), রেনিটিডিন, লিভামিজল, এ্যামোডুপিন, অটোবাস্টাটিল, নিট্রোবাস, ডায়াজিপাম ও হাইসোমাইড। ক্যাপসুলের মধ্যে রয়েছে- অ্যামোক্সাসিলিন, সেফ্রাডিন, টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাইক্লিন, ওমিপ্রাজল ও ওজালতা মাবির। বিনামূল্যে দেওয়া সিরাপের মধ্যে রয়েছে- প্যারাসিটামল হিসটামিন, সালবুটামল, সেপুরাকজিন, অ্যামোক্সাসিলিন, কট্রিমক্সাজল, রেনিটিডিন ও ইরিথ্রমাইসিন। ইনজেকশনের মধ্যে আছে- অ্যামোক্সাসিলিন, ক্লক্সাসাইক্লিন, সেফ্রাডিন, সেবিক্সিন, সেফটিয়াকজন, মক্সাক্লেভ, হিউম্যান ইনসুলিন, ওনডাসারন, ওমিপ্রাজল, কলেরা স্যালাইন (৫০০, ১০০০ এমএল), ৫% ডেক্সট্রো ১০০০ এমএল, হার্ডম্যান সলুশন, ১০% ডেক্সট্রোজ, ডাইক্লোফেনাক, ডেক্সট্রোমেথাসন, অ্যাটরোফিন সালফেড, জেন্টিন ও এমপিসিলিন। এছাড়াও সরকারি হাসপাতালগুলোতে সরকার বেবিলোশন ও হুইটফিল বিনামূল্যে দিয়ে থাকে।
সরকারি দলের সদস্য এম, আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদকে জানান, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী গতবছর (২০১৮) বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৮১জন, যারমধ্যে মরণব্যাধী এই রোগে মারা গেছে ১ লাখ ৮ হাজার ১৩৭ জন।