ইত্তেফাক রিপোর্ট
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল এবং তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ের কারখানা ও প্রধান কার্যালয় বন্ধ পেয়েছে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। সমপ্রতি কোম্পানি দুটির কারখানা ও প্রধান কার্যালয় পরিদর্শনে যায় ডিএসইর পরিদর্শক দল। তবে এ দুটি কোম্পানির প্রধান কার্যালয় এবং কারখানা বন্ধ থাকায় ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি ডিএসইর পরিদর্শক দল। এতে অধিকতর তদন্ত করা সম্ভব হয়নি। বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে পৃথক দু’টি বার্তায় ডিএসই এ তথ্য জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইল শেয়ারবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সে হিসেবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর মাত্র তিন বছর পার করেছে কোম্পানিটি। এরই মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলের উত্পাদন বন্ধ রয়েছে। নির্ধারিত সময় পার হলেও গত ৭টি প্রান্তিকের আর্থিক হিসাব প্রকাশ করেনি এ কোম্পানি। এদিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশে তিনবার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তবে কোনো বছরেই নগদ লভ্যাংশ দিতে পারেনি।
অপর প্রতিষ্ঠান তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ২০১৪ সালে। সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলের মতো এ কোম্পানিও বিনিয়োগকারীদের কখনো নগদ লভ্যাংশ দিতে পারেনি। ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৬ সালে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ হিসেবে ১০ শতাংশ করে বোনাস শেয়ার দেওয়া তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং ২০১৭ সালের মার্চের পরে কোনো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। বর্তমানে পরিচালকদের মধ্যকার দ্বন্দ্বে কোম্পনিটির উত্পাদন বন্ধ রয়েছে। প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ৩৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে, বর্তমানে এই কোম্পানির শেয়ার মূল্য দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪ টাকা ৪০ পয়সা।