ক্রেডিট কার্ড কি গলার কাঁটা?

আমি আইএফআইসি ব্যাংকের টাঙ্গাইল শাখায় ক্রেডিট কার্ডের জন্য অনুরোধ করলে জানানো হয়—টাঙ্গাইল শাখা থেকে অন্যান্য ব্যাংকের মতো ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয় না, যদি নিতে চাই তবে টাকা জমা রেখে নিতে হবে। বাধ্য হয়ে দুই লাখ টাকা এফডিআর করি এবং এফডিআরের বিপরীতে ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়। গত ৪-১১-২০১৮ তারিখে ৫০০০ ডলার এনডরস করি, কিছুদিন পর মোবাইলফোনে বার্তা পাঠানো হয় আমার বিল ১১.৫০ ডলার। নির্দিষ্ট সময়ে বিলটি পরিশোধ না করার কারণে আবার বার্তা পাঠানো হয় আমার বিল ১৬.৫ ডলার। আমি ২৩-১২-২০১৯ তারিখে ব্যাংকে গিয়ে ম্যানেজারকে বিষয়টি বললে তিনি পরামর্শ দেন ১৬২৫৫ নম্বরে ফোন করে জানতে ডলার মূল্য আজকে কত বা সর্বমোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমি ঐ নম্বরে ফোন করে জানতে চাই সর্বমোট কত টাকা আজ জমা দিলে ১৬.৫ ডলারের ব্যাংকের দাবি থেকে মুক্তি পাব। তিনি যে পরিমাণ টাকা জমা দিতে বলেন আমি সেই পরিমাণ টাকা জমা দেই। কিছুদিন পর আমাকে আবার বিল পাঠানো হয় ২১.৫ ডলার দাবি করে। আমি ১৬২৫৫ নম্বরে ফোন করলে বলা হয়—টাকা জমা আছে কিন্তু সেটা ফরেন ডিপার্টমেন্টে জমা হয়নি, হয়েছে বিডিটিতে। আমি বিষয়টি ম্যানেজারকে জানালে তিনি জমার ভাউচার বের করেন এবং সুপারিশ করে কর্তৃপক্ষকে টেলিফোন ও ই-মেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেন যাতে ভুলটি সংশোধন করা হয়। সেইসঙ্গে ১৬২৫৫ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলেন—আমি তাই করি। কিছুদিন পর বার্তা পাঠানো হয়—আমার ১৬.৫ ডলার জমা হয়েছে। ১৯-২-২০১৯ তারিখে আবার আমাকে বার্তা পাঠানো হয়েছে ৯.৯৯ ডলার ১০-৩-২০১৯ তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য। সমস্যাটি সমাধানে আইএফআইসি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার ক্রেডিট কার্ড নম্বর ৪৯০২৬৩০১০০১২০৬২০। এভাবে হয়রানি না করতে এবং ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার আরো সহজ সরল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা চাই। 

লিমন খান

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, টাঙ্গাইল