দন্ত চিকিত্সকদের মতে গুল দাঁতের কোনো মাজন নয় এবং এটি ব্যবহারে দন্তশূল কমে না বরং মাঢ়ী ও মুখ গহ্বরে ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। গুল খাতে কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আহূত হয় না; উল্টো গুল সেবনজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের পেছনে চিকিত্সা বাবদ সরকারের ব্যয় হয় প্রচুর অর্থ। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটি বৃহত্ অংশ (নারী, পুরুষ ও শিশু) গুল ব্যবহারে অভ্যস্ত। তাদের কাছে পণ্যটি নেশার একটি সামগ্রী। গুল দামে খুবই সস্তা এবং দেশের আনাচে-কানাচে সর্বত্রই পাওয়া যায়। অর্থাত্ হাত বাড়ালেই গুল। এর ব্যবহার বেড়েই চলেছে। গুল জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। এক মাত্রার গুলে ৪ দশমিক ১ গ্রাম তৈলাক্ত বিষাক্ত নিকোটিন থাকে, যা অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের তুলনায় অনেক গুণ বেশি এবং ক্ষতিকর। গুল কারখানায় কন্যাশিশু শ্রমিকরা স্বল্প মজুরিতে কাজ করে এবং গুলের ফাকি কৌটায় হাত দিয়ে ভরার সময় এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে তাদের শরীরে প্রবেশ করে। এতে তাদের শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাবসহ স্বাভাবিক শরীরিক গঠনও ব্যাহত হয়। কারখানার পরিবেশও মারাত্মক স্বাস্থ্য হানিকর। গুলের এই বহুমুখি ক্ষতি ও অনিষ্ঠের কথা গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়ে দেশে এর উত্পাদন ও বিক্রি বন্ধে গণমাধ্যমে অবিলম্বে বিজ্ঞপ্তি জারি করার জন্য সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
হাজী মো. আলী বশির, ৮৮/৮৯ আগাসাদেক রোড,
মাহবুব আলী
৪১ আবদুল হাদী লেন, বংশাল, ঢাকা