বিআইডব্লিউটিসি’র ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এমভি মধুমতিসহ সাতটি বৃহত্ নৌযান দিয়ে এবার ঈদ স্পেশাল সার্ভিস শুরু হচ্ছে ১৪ জুলাই। মধুমতি ও বাঙ্গালী চলাচল করবে ঢাকা-বরিশাল নৌ-রুটে। অপর ৫টি প্যাডেল স্টিমারের মধ্যে এমভি শেলা চলাচল করবে বরিশাল-চাঁদপুর রুটে। বাকি ৪টি ঢাকা-মোরেলগঞ্জ-ভায়া চাঁদপুর-বরিশাল-হুলারহাট রুটে চলবে। প্রয়োজন অনুযায়ী এমভি মধুমতি ও বাঙ্গালী হুলারহাট পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করবে বলে সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
একই সাথে ঐসব রুট থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী পরিবহনের জন্য ঐ জাহাজ দু’টি সিডিউলে রাখা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল সার্ভিসের সিডিউল অনুযায়ী ১৪ জুলাই ঢাকা থেকে পিএস মাহসুদ নিয়মিত সার্ভিসের যাত্রী পরিবহন করবে। ঐদিন এমভি বাঙ্গালী ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে রওনা হবে। একই দিন চাঁদপুর থেকে স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে রওনা হবে এমভি শেলা। ঐদিন সদ্য নির্মিত এমভি মধুমতির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ১৫ জুলাই মধুমতি যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে বরিশালে যাবে। একই দিন নিয়মিত সার্ভিসের যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হবে পিএস অস্ট্রিচ। ১৬ জুলাই নিয়মিত সার্ভিসে এমভি বাঙ্গালী ও স্পেশাল সার্ভিসে এমভি মধুমতি ঢাকা থেকে যাত্রী বহন করবে। ১৭ জুলাই পিএস মাহসুদ নিয়মিত সার্ভিসে ও পিএস টার্ন স্পেশাল সার্ভিসে যাত্রী নিয়ে ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জ ও হুলারহাটের উদ্দেশে রওনা হবে। ১৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত স্পেশাল সার্ভিস না থাকলেও প্রতিদিন ঢাকা থেকে মোরেলগঞ্জ ও বরিশাল পর্যন্ত নিয়মিত সার্ভিসে একটি করে জাহাজ যাত্রী পরিবহন করবে। ঐ চারদিন ঢাকাগামী একাধিক নিয়মিত ও স্পেশাল সার্ভিসের জাহাজ যাত্রী পরিবহন করবে।
এবার ভরা বর্ষা মৌসুমে ঈদ হওয়ায় নৌ-যানগুলোকে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার আহবান জানিয়েছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। নৌ-পথ উত্তাল থাকায় যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে কোনো নৌযানে না ওঠার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।