এদিকে এ মামলায় মাদক আইনের পাশাপাশি চোরাচালানের ধারা সংযোজনের জন্য আদালতে আবেদন করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দীন চৌধুরী। গত বৃহস্পতিবার মহানগর হাকিম ফরিদ আলমের আদালতে এ আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে মো. ফখরুদ্দীন চৌধুরী বলেন, মামলাটি প্রথমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ এর ১ (খ) ধারায় রুজু করা হলেও এর পাশাপাশি বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (বি) ধারা সংযোজনের প্রয়োজন রয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে। এজন্যই আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আগামীকাল রবিবার মহানগর হাকিম ফরিদ আলমের আদালতে এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে বলে জানান তিনি। এদিকে রিমান্ডে থাকা আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে জানা গেছে। তদন্তকারী সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হওয়া কোকেনের চালানটির উত্স দক্ষিণ আমেরিকার দেশ বলিভিয়া। বলিভিয়া থেকে কোকেনের চালান ট্রাকে করে নেয়া হয় উরুগুয়েতে। উরুগুয়ের মন্টিভিডিউ বন্দর থেকে কোকেন চীনের পতাকাবাহী এমভি কসকো-চায়না ০৬৪ ই জাহাজে তোলা হয়। গত ২১ মে সিঙ্গাপুরে এসে জাহাজ বদল হয়। সেখান থেকে এ চালান কসকো শিপিংয়ের পরিচালনাধীন অন্য একটি জাহাজে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। গত ৮ জুন কোকেন রয়েছে সন্দেহে জাহাজের একটি কন্টেইনার আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। প্রাথমিক পরীক্ষার পর তরলে কোকেনের অস্তিত্ব নিশ্চিত হতে পারেনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। তবে পরবর্তীতে ঢাকায় উন্নত পরীক্ষার পর কোকেনের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হয় তারা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে বন্দর থানায় মামলা করে। মামলায় এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে মহানগর ডিবি পুলিশ। ঘটনা তদন্তে ১০ সদস্যের টিম করেছে সিএমপি।