ঘরের কম্পিউটার চালু করে ই-কমার্স সাইটগুলো ঘুরে ঘুরে পণ্য অর্ডার দেয়ার চেয়ে হাতের স্মার্ট ফোনেই এখন কেনাকাটা সাড়া যায়। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ই-কমার্স সাইটগুলোতে কেনা কাটা অনেক বেড়ে গেছে। শুভ লক্ষণ হল বাংলাদেশেও বেড়েছে মোবাইলের মাধ্যমে ই-কমার্স সাইটের কেনা-কাটা। বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে ই-কমার্স সাইটগুলোর ব্যবসা বেশ জমে গেছে।
ই-কমার্সের উদ্যোক্তারা বলছেন, ঢাকার বাইরে থেকেও অনেক মানুষ এখন স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে ঢাকা ভিত্তিক ই-কমার্স সাইটগুলো থেকে পণ্যের অর্ডার দিচ্ছেন আর তা বাড়িতে বসে ডেলিভারি নিচ্ছেন। স্মার্ট ফোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এখন ঘরে বসেই ঈদের কেনাকাটা করছেন অনেকেই।
IMG0
ডিলোইট ও অ্যাসোস্যামের যৌথ গবেষণার তথ্য অনুযায়ী,বর্তমানে বিভিন্ন মোবাইল বা স্মার্ট ফোনে ই-কমার্সের অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কারণে অনলাইনে বিক্রি ও আয় বাড়ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৮ সাল নাগাদ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ই-কমার্স সাইট থেকে কেনাকাটা ৬৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে অনলাইনে কেনাকাটার মধ্যে সবচেয়ে বেশী এগিয়ে আছে ইলেকট্রনিক পণ্য কেনা কাটায়। কারণ গবেষণা বলছে, বাজারে আসা নতুন নতুন স্মার্ট গ্লাস, স্মার্ট ওয়াচগুলো অনলাইন থেকে কেনার প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে।তাই ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা এদিকটা নজর দিতেই পারেন।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসেসের (বেসিস) ই-কমার্স সংগঠনের আহ্বায়ক ফাহিম মাশরুরের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন ই-কমার্স শিল্প ১০০ কোটি টাকার মতো। ডেস্কটপের তুলনায় এখন মোবাইল ফোন থেকে ব্রাউজ বেশি হচ্ছে। বাংলাদেশে মোবাইল ফোন বিশেষ করে স্মার্ট ফোন ব্যবহারকারীর হার বাড়ছে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশেও ই-কমার্স সাইট থেকে কেনাকাটার ৭০% এখন মোবাইলের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
‘গ্লোবাল পাওয়ারস অব রিটেইলিং ২০১৫’ শীর্ষক ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, মোবাইলে পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততা, স্বচ্ছতা ও গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষার বিষয়টি সবচেয়ে জরুরি। তাই গবেষণায় বলা হয়েছে ই-কমার্স সাইটগুলো যদি এই দিকটির প্রতি নজর দেয় তাহলে ক্রেতার সংখ্যাও আরও অনেক বেড়ে যাবে।
IMG1