ফুলবাড়ি উপজেলার সাত ইউনিয়নে মাতৃ কেন্দ্রগুলোর জমি বেদখলের অভিযোগ

ফুলবাড়ি (দিনাজপুর) সংবাদদাতা

ফুলবাড়ি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মাতৃকেন্দ্রগুলোর কার্যকারিতা না থাকায় বেশির ভাগের জমি বেদখল হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার কোথাও কোথাও পরিত্যক্ত অবস্থায় ভবনগুলো পড়ে আছে।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করতে ১৯৭৫-৭৬ সালে শ্রম ও সমাজসেবা মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশব্যাপী মাতৃকেন্দ্রের বহুমুখী কার্যক্রম চালু করা হয়। যার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মা ও শিশুর যত্ন, টিকাদান কর্মসূচি, খাদ্য পুষ্টি, বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি, সার্বিক সাক্ষরতা আন্দোলন, পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণসহ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা। হঠাত্ করে ১৯৮৬-৮৭ সালে ইউনিয়ন পর্যায়ে সচল এসব মাতৃকেন্দ্রের কার্যক্রম সরকার বন্ধ করে দেয়।

দখলদারদের একজন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আলাদিপুর এলাকার মাতৃকেন্দ্র ভবনটি পরিত্যক্ত থাকায় এলাকাটি বেড়া দিয়ে নিজ দখলে রেখেছি। কর্তৃপক্ষ চাইলে আমার প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেব।’

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ১৯৭৫ থেকে ’৭৮ সাল পর্যন্ত মাতৃকেন্দ্রগুলো সচল ছিল। সে সময় মাতৃকেন্দ্রের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকার নারীদের স্বাবলম্বী আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। কিন্তু ওই কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাতৃকেন্দ্রগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মাতৃকেন্দ্রের ভবনের খাজনা দাখিলা নিয়মিত পরিশোধ করা হয়ে থাকে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম চৌধুরী বলেন, ‘মাতৃকেন্দ্রের ভবনগুলো বেদখলের বিষয়টি তাকে আগে কেউ জানায়নি। তবে সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে দ্রুত সরকারি সম্পদ দখলে নেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’