দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আমরা এখন বিশ্বায়নের যুগে বাস করছি। তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়তা করে।
সোমবার সিলেটের কাজী নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মহানগর/জেলা এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্যদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির ধারাকে আরও বিকশিত করার জন্য দুর্নীতি প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই।
দুদকের এই কমিশনার আরও বলেন, দুর্নীতি ব্যক্তি পর্যায়ে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সংঘটিত হয়। সেবাখাতের দুর্নীতি প্রতিরোধে সেবাগ্রহীতা এবং সেবাদাতা উভয়েরই সচেতন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং কর্তাব্যক্তিদের নিবিড় মনিটরিং প্রয়োজন। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সময় নির্ধারণ এবং তা কঠোরভাবে পরিপালন করা আবশ্যক। সেবাখাতে দীর্ঘসূত্রিতা, অনিয়ম চলতে পারে না। সেবাদাতাদের মনে রাখতে হবে, জনগণের করের টাকায় তাদের বেতন হয়। তাই সেবাগ্রহীতাদের ন্যূনতম অসম্মান করার অধিকার কারও নেই।
আরও পড়ুন: প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দিয়ে উল্টে গেল বাস
তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও প্রতিকারে দায়িত্ব আইনগতভাবে দুদক পালন করছে। দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না। সকল সরকারি অফিস দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য সমন্বিত চেষ্টা করা হচ্ছে। দুর্নীতিপরায়ণদের সতর্ক করে দুদক কমিশনার বলেন সম্পদ লুকিয়ে রাখতে পারবেন না। দুদক তা খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিদুল ইসলাম।
ইত্তেফাক/এমআই