জেলার রামু উপজেলায় পাঁচদিনের প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দ্বিতীয় দফায় বন্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। বাঁকখালী নদীর পানি দুইদিন ধরে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে সাম্প্রতিক বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে ১১টি ইউনিয়নের তিন লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রবল বর্ষণে তলিয়ে গেছে রামু উপজেলার মহাসড়ক, সড়ক-উপসড়সহ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ২০ হাজার বসত বাড়ি। বন্যাকবলিত এলাকার লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটলেও নেই পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র।
জানা গেছে, দুইদিন ধরে উপজেলার রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়ক, রামু-মরিচ্যা আরাকান সড়ক, কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কেও যানবাহন চলাচল বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদ হোসেন জানান, রবিবার সকাল থেকে দুর্গত লোকজনকে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের কাছেও পর্যাপ্ত সহায়তা দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে বেশি মানুষ আসেনি।