কানাডায় অভিবাসীদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানোর প্রতিবাদ

 
শুধু চাকুরীর অনিশ্চয়তা আর অভিবাসনগত সমস্যাই নয়; সরকার ইমিগ্র্যান্ট বিরোধী আইন করে কানাডার অভিবাসীদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানাচ্ছে। স্থানীয় সময় রবিবার এক আলোচনা সভায় মেথিউ ক্যালওয়ে এমপি এই কথা বলেন।
 
বেঙ্গলি ইনফরমেশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস (বায়েস) এবং ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ইয়র্ক সেন্টার ফর এশিয়ান রিচার্স এই আলোচনসভার আয়োজন করে। টরন্টোর ডেনফোথস্থ এক্সেস পয়েন্টে “কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স: শেফিং লাইফ এন্ড এক্সপেরিয়েন্স” শীর্ষক এক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে মেথিউ ক্যালওয়ে এমপি বলেন, সরকার, সি ২৪, সি ৫১ এর মতো আইন করে অভিবাসীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিকে পরিণত করছে, যা কারোই কাম্য নয়।
 
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মজিদ, বায়েসের ট্রেজারার দিলরুবা খানম, সদস্য রিজুয়ান রহমান, মাহবুব আলম, আবদুল্লাহ হারুন ইমাম, সিমা দাস, পল বকটিং প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সমম্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বায়েসের জেনারেল সেক্রেটারি গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
 
ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট ডীন ও বায়েসের উপদেষ্টা ড. ফাহিম কাদিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় কেভিন এস বৈরাগীর নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র উপস্থাপন করা হয়। ইমিগ্র্যান্টদের এমপ্লয়মেন্ট এবং সেটেলমেন্ট বিষয়গুলো নিয়ে নির্মিত এই প্রামাণ্য চিত্রের বিষয়বস্তুর ওপর প্যানেল আলোচক ছিলেন বিচেস ইস্ট ইয়র্কের এমপি মেথিউ ক্যালওয়ে, স্কারবোরো সাউথ ইস্টের এমপি ড্যান হ্যারিস, ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির জিওগ্র্যাফির প্রফেসর রানু বসু, ওয়টারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন স্টাডিজের অধ্যাপক ড. শ্রাবনী মিত্র, বায়েসের উপদেষ্টা ও সিআইবিসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আবদুল হালিম মিয়া।