নীলাদ্রী চট্টোপাধ্যায় নিলয়ের (নিলয় নীল) শরীরে ধারালো অস্ত্রের ১২টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। উপর্যুপরি আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এভাবেই তারা মৃত্যু নিশ্চিত করে।
ময়না তদন্তকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অভিজিৎ রায়সহ অন্য ব্লগারদের যেভাবে হত্যা করা হয়েছে ঠিক একই ধরনে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক মো. হোসেন নিহত নিলয়ের ময়না তদন্ত করেন।
ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হাবিবুজ্জামান চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, নিলয়ের শরীরে ১২টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। গলার ও থুতনির আটটি আঘাত গভীর। এছাড়াও শরীরে ছিল আরও দুটি জখম। হত্যা নিশ্চিত করতেই এত আঘাত করা হয়েছে। মূলত গলার আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, এর আগে যেসব ব্লগারকে হত্যা করা হয়েছিল, এই হত্যাকাণ্ডের ধরনও সেই রকম।
নিলয় হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব স্বীকার করে ইতোমধ্যে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার নামে বিবৃতি এসেছে। এর আগের ব্লগার হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেও তাদের একই রকম বিবৃতি দেখা যায়।
ঢাকায় অভিজিৎ রায়, আহমেদ রাজীব হায়দার ও ওয়াশিকুর রহমান বাবু, সিলেটে অনন্ত বিজয় দাশ হত্যার ক্ষেত্রেও হামলাকারীরা মাথা, গলা ও ঘাড়েই আঘাত করেছিল বলে ময়না তদন্তে বলা হয়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের সময় পূর্ব গোড়ান টেম্পো স্ট্যান্ডের কাছে পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলার ভাড়া বাসায় নিলয়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।