টিউশন ফির ওপর কর আরোপ কেন বেআইনি নয়

 
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফির ওপর সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে অর্থ সচিব, শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যনান ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি জে এন দেবের ডিভিশন বেঞ্চ রবিবার এই আদেশ দেয়।
 
২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোতে ১০ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছিল। এরপর তা কমিয়ে সাড়ে ৭ শতাংশ করা হয়। গত ৪ জুলাই এনবিআর এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর পর থেকেই এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ওই ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। ‘নো ভ্যাট অন এডুকেশন’ নামের একটি সংগঠন এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কার্যালয়ে স্মারকলিপিও প্রদান করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। এরই মধ্যে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের শিক্ষক খন্দকার দিদার উস সালাম ও দুই শিক্ষার্থী মঙ্গলবার কর আরোপের সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করে। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে।
 
আদেশের পর দিদার উস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, টিউশন ফির ওপর কর আরোপের সিদ্ধান্ত বৈষম্যমূলক। পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভিন্ন ধরনের নিয়ম হতে পারে না। সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।