গাজীপুরের কালীগঞ্জে হাফিজুল ইসলামের (৪২) বিরুদ্ধে ১২ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। ওই শিশু শিক্ষার্থীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলার শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুবকর মিয়া।
উপজেলার কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ড মধ্য বালীগাঁও গ্রামের মৃত আলাউদ্দিন চৌকিদারের ছেলে হাফিজুল। সে পেশায় মাহেন্দ্র চালক। আর ওই শিশু পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রতিবেশি হাফিজুল তাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। গত রবিবার ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়ির পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় হাফিজুল। পরে ওই শিশু ধর্ষণের বিষয়টি তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের জানায়। এতে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে সোমবার বিকালে হাফিজুলকে গণপিটুনি দেওয়ার পর থানায় খবর দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিউল আলম জানান, সোমবার রাতে এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা থানায় ধর্ষণ মামলা করলে মঙ্গলবার দুপুরে ধর্ষককে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়।
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে রিকশা
চালক গ্রেফতার
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, গাজীপুরে ১২ বছরের এক শিশু ধর্ষিত হয়েছে। সোমবার দুপুরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের পূবাইলে এ ঘটনা ঘটে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পূবাইল থানা পুলিশ মঙ্গলবার ঢাকার মিরপুর থেকে ধর্ষক মোঃ ফারুককে (৩৫) গ্রেফতার করে। ফারুক দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ী থানার শিবনগর গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে। সে তালটিয়ার শাহজাহান মিয়া চিশতীর বাড়িতে ভাড়া থেকে ওই এলাকায় রিকশা চালাতো।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পূবাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল হক ভুঁইয়া জানান, শিশুটি পরিবারের সাথে ঐ এলাকায় থাকে। মা-বাবা দুজনই রাজমিস্ত্রীর যোগালির কাজ করেন। অভিযুক্ত ফারুক সোমবার দুপুরে শিশুটিকে পার্শ্ববর্তী ভবনের খালি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় রাতে শিশুর মা থানায় মামলা করেন। মঙ্গলবার ফারুককে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। দুপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শিশুটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
শিশুটির মা জানান, প্রতিদিনের মতো গত সোমবার মেয়েকে বাসায় রেখে কাজের উদ্দেশে বের হন। দুপুরে ফারুক মেয়েকে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় মেয়ের চিত্কারে লোকজন ছুটে আসলে ফারুক পালিয়ে যায়।