‘শেয়ার কারসাজির মাধ্যমে ইনসাইডার ট্রেডার ও কিছু কোম্পানির অসত্ মালিক বা কর্মকর্তা বিপুল পরিমাণের অবৈধ অর্থের মালিক হয়। সংবেদনশীল তথ্য কাজে লাগিয়ে এসব কাজ করে তারা। এ ধরনের প্রবণতা রাষ্ট্র সমাজ ও শেয়ারবাজারের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। তাই শেয়ার কারসাজি বিষয়ে সব পক্ষকে সতর্ক থাকতে হবে।’
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তাদের (ক্যামেলকো) নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও বিএফআইইউ (বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট) প্রধান আবু হেনা মো. রাজী হাসান এ সব কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমিতে বিএফআইইউ আয়োজিত সম্মেলনে পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনার মো. আমজাদ হোসেন। বিএফআইইউর উপ-প্রধান ম. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ডিএসসির চেয়ারম্যান বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান, বিবিটিএর প্রিন্সিপাল কে. এম. জামশেদুজ্জামান, ডিএসসির এমডি অধ্যাপক ড. স্বপন কুমার বালা প্রমুখ।