ইউরোপীয় ইউনিয়ন শরণার্থীদের জন্য তাদের দুয়ার খোলা রাখবে। শুক্রবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেন অ্যাসেলবর্ন। খবর সিনহুয়ার।
সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়া থেকে ইউরোপীয় দেশগুলোতে শরণার্থী আগমণের সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাসেলবর্ন ও তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফেরিদাম সিনিরলিওগলুর
মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অ্যাসেলবর্ন বলেন, শরণার্থীদের জন্য আমরা আমাদের সীমান্ত বন্ধ করবো না। শরণার্থীদের কীভাবে বন্টন করা যায় তার কৌশল নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। ইইউর প্রতিটি দেশকে সমান সংখ্যক শরণার্থী নিতে হবে। অন্যথায় আমরা এ সমস্যা মোকাবিলা করতে পারবো না।
তিনি আরো বলেন, শরণার্থী সংকট সমাধানে ইইউ তুরস্কের জন্য একটি আর্থিক প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছে। এদিকে এ্যাসেলবর্নের সঙ্গে বৈঠকের পর তুকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাংক ওয়াল্টার স্টেইনারের সাথে বৈঠক করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শরণার্থী সমস্যা নিয়ে তার দেশ এবং জার্মান সরকার পুরোপুরি সজাগ রয়েছে। তাছাড়া জার্মানি শরণার্থীদের বিষয়ে যে সহমর্মিতা দেখাচ্ছে তা ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ।
এদিকে শরণার্থীদের বিষয়ে ইইউর নীতি নির্ধারণের জন্য আগামী মঙ্গলবার বৈঠকে বসার কথা রয়েছে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের।