গেল সপ্তাহে পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতের বড় প্রভাব দেখা গেছে। এ ছাড়া ব্যাংক, বিমা এবং ওষুধ খাতেও গ্রাহকদের আগ্রহ বেশি ছিল। এসব খাতের প্রভাবে গেল সপ্তাহে বেড়েছে বাজারে সার্বিক মূল্য সূচক ও লেনদেন আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। গেল সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চারদিনই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে কেনা-বেচা হয়েছে।
গেল সপ্তাহে ডিএসইর সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর লেনদেন বেড়েছে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ।
খাত-ভিত্তিক লেনদেন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের লেনদেনে শীর্ষে ছিল প্রকৌশল খাত। ডিএসইর ১৯ শতাংশ লেনদেনই হয়েছে এ খাতের বিভিন্ন কোম্পানি ঘিরে। এ খাতের বাজার মূলধনও বেড়েছে সবচেয়ে বেশি—৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
প্রকৌশল খাতের বিএসআরএম গ্রুপের দুই কোম্পানি বিএসআরএম লিমিটেড ও বিএসআরএম স্টিলস লেনদেনের শীর্ষ দশে স্থান করে নেয়। এ ছাড়া এ খাতের কাশেম ড্রাইসেলস, ইফাদ অটোজ ও অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ ডিএসইর দরবৃদ্ধির শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় উঠে আসে।
এছাড়া ব্যাংকিং খাতেও লেনদেন প্রাধান্য দেখা গেছে। এ খাতের বাজার মূলধন ২ দশমিক ১২ শতাংশ এবং লেনদেন ২০ শতাংশ বেড়েছে। সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর লেনদেন বেড়েছে ৫২ শতাংশ। জীবন বিমার বাজার মূলধন বেড়েছে দশমিক ৯৩ শতাংশ এবং লেনদেন দশমিক ৪৭ শতাংশ। আর ওষুধ ও রসায়ন খাতের বাজার মূলধন বেড়েছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। লেনদেন বেড়েছে ৫ শতাংশ।
ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৬ শতাংশ ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাতে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, গেল সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ। বর্তমানে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করছে ১৬ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে, যা গত সপ্তাহের শুরুতে ছিল ১৬ দশমিক ৩১ পয়েন্ট। বর্তমানে খাতভিত্তিক পিইর হিসাবে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ৭ দশমকি ৩২ পয়েন্টে, আর্থিক খাতের ১৬ দশমিক ৬৬, প্রকৌশল খাতের ২৬ দশমিক ৪২, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের ১৩ দশমিক ৬, বস্ত্র খাতের ১১ দশমিক ৪১, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২২ দশমিক ৭৮, বিমা খাতের ১৫ দশমিক ৭২ এবং টেলিযোগাযোগ খাতের ২০ দশমিক ২৪।