‘বিশ্বব্যাংক তেলের দাম পুনর্নির্ধারণের তাগিদ দিয়েছে’

 
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংক আমাদের প্রত্যাশিত ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বাজেট সহায়তা দেবে, তবে এ জন্য তারা জ্বালানি তেলের দাম পুননির্ধারণের তাগিদ দিয়েছেন।’
 
ঢাকায় সফররত বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সনের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
 
শেরেবাংলানগরস্থ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
 
এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী মাসে পেরুতে বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় বাজেট সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।’
 
বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে সংস্কার প্রস্তাব পুরোটাই বাস্তবায়ন করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি আমরা বিদ্যুতের দাম কিছুটা সমন্বয় করেছি। তেলের দামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আমাদের দেরি হবে। তবে বাজেট-সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’
 
এ সময় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের ঋণ-কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সম্প্রতি এশীয় উন্নয়ণ ব্যাংক (এডিবি) ঋণ কাঠমো পরিবর্তন করেছে (নমনীয় ও অনমনীয় সকল ধরনের ঋণ একীভূত করেছে) বিশ্বব্যাংকও এ রকম একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়। ওই বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।’
 
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আগামীতে বিশ্বব্যাংক আইডা প্লাস পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। তবে এ ক্ষেত্রে সুদের হার সামান্য বাড়লেও, সেটি হবে সবচেয়ে সহজ শর্তে ঋণ। বৈঠকের পর বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেটে ডিক্সন সাংবাদিকদের জানান—বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সকল সহায়তার গতি আরো বাড়াতে চায়। বিশেষ করে যেসব প্রকল্প বাস্তাবয়ন করলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে সেসব প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহী।
 
তিনি বলেন, ‘গেল অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক ১৯০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ছাড় করেছে।’
 
এ সময় তিনি বাজেট সাপোর্ট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘এটা নিয়ে কথা হয়েছে। লিমায় সাধারণ সভায়ও এটা নিয়ে কথা হতে পারে।’