পাকিস্তানে অক্ষম ব্যক্তির ফাঁসি স্থগিত

পাকিস্তানে চলৎশক্তিহীন ফাঁসির আসামি আবদুল বাসিতের দণ্ড কার্যকর করতে গিয়েও শেষ মুহুর্তে তা স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
 
হত্যাকান্ডের জন্য সাজাপ্রাপ্ত বাসিতের পায়ের নিচে থেকে অবশ থাকায় তিনি দাঁড়াতে পারেন না। কিন্তু কারাগারের আইন অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর করতে হলে দন্ডপ্রাপ্ত আসামির ফাসিকাষ্ঠে নিজ পায়ে দাঁড়াতে হবে। মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে চলৎশক্তি হারানো আবদুল বাসিত ক্ষমা প্রার্থনা করলেও সেটি খারিজ করে দেয় আদালত। গত মাসে লাহোরে তার শাস্তি কার্যকর করার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে দেওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার ফাঁসি কার্যকর করতে গিয়েও কারাগারের আইন অনুযায়ী নিজের পায়ে দাঁড়াতে না পারায় বেঁচে যান বাসিত। মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলো তার পক্ষে কথা বলে আসছিল। একজন চলৎশক্তিহীন মানুষের ফাঁসি কার্যকর করা অমানবিক বলে দাবি করে তারা।

 

IMG1

আবদুল বাসিত ২০০৯ সালে এক মহিলার চাচাকে খুন করার অভিযোগে গ্রেফতার হন। ওই মহিলার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। আবদুল বাসিত অভিযোগ অস্বীকার করলেও তার বিরুদ্ধে আদালত সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডর রায় দেয়।  ২০১০ সালে কারাগারে যক্ষা ও মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়ে চলৎশক্তি হারিয়ে ফেলেন তিনি।

IMG0

২০১৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনানিয়ন্ত্রিত স্কুলে জঙ্গি হামলার পর থেকে সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে যা মৃত্যুদণ্ডের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। ওই ঘটনার পর থেকে ২৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে পাকিস্তান। বিবিসি