আজ শুক্রবার মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে প্রথমধাপের ৮৩ উপজেলা নির্বাচনের সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা। আগামীকাল শনিবার রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হবে ভোট। প্রথমধাপের উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
উপজেলা নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের ৩২ ঘন্টা পূর্বে সকল প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ। ১০ মার্চ রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রথমধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের আগে দুই দিন, ভোটের দিন ও ভোটের পরে দুই দিন মিলিয়ে মোট পাঁচ দিন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠে থাকবেন। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার-ভিডিপি, কোস্টগার্ড, আর্মড পুলিশ, ব্যাটালিয়ান আনসার থাকবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায়। গ্রাম পুলিশও থাকবে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায়। নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম থাকবে আচরণবিধি প্রতিপালনে। রিটার্নিং অফিসার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেবে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদার সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেন কমিশনাররা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রথমধাপে বিভিন্ন উপজেলায় নির্বাচনী মালামাল নির্বাচনী এলাকায় ঠিকমতো পৌঁছেছে কিনা-সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে। এছাড়াও পঞ্চম উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে কোনো ত্রুটি বা অনিয়ম আছে কিনা বা থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২ জেলার ৮৭ উপজেলায় ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে আদালতের আদেশে রাজশাহীর পবা উপজেলার ভোট স্থগিত করা হয়। আর জামালপুরের মোলান্দহ, মাদারগঞ্জ এবং নাটোর সদরে সকল প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে ওই তিন উপজেলায় ভোট হবে না। এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৬ জন চেয়ারম্যান, ছয়জন ভাইস চেয়ারম্যান ও সাতজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি ৮৩ উপজেলায় ২১৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ৪০৬ জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং ২৭৩ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। প্রথমধাপে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৬ হাজার ২১৯টি এবং ভোটকক্ষ ৩৯ হাজার ১৫৯টি।