নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ঘাঘা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিতে ইকবাল সমাজদার (২৫) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছে আরো ২৫ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৬০ রাউন্ড শটগানের গুলি ও পাঁচ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসীসূত্রে জানা গেছে, কোটাকোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খান জাহাঙ্গীর আলম এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা বিএম হেমায়েত হোসেন হিমু গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত এক সপ্তাহ ধরে উত্তেজনা বিরাজ করায় ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েনও করা হয়।
গতকাল সোমবার ঘাঘা গ্রামের ব্রীজের পাশে দুই পক্ষের সমর্থকদের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। কোটাকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খান জাহাঙ্গীর আলমের অভিযোগ, পুলিশের গুলিতে ইকবাল সমাজদার নিহত হয়েছে।
এদিকে নিহতের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে হিমু গ্রুপের লোকজন জাহাঙ্গীর খানের সমর্থকদের ২৫/৩০টি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এদিকে হিমুর সমর্থকরা দাবি করেছেন জাহাঙ্গীর খানের লোকজন তাদের ১৫/২০টি বাড়িতে ভাংচুর চালিয়েছে এবং জাহাঙ্গীর খানের সমর্থকদের গুলিতে ইকবাল নিহত হয়েছে। আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছে।
লোহাগড়া থানার ওসি জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্তের জন্য নিহতের লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।