আগামী মাসে ঐতিহাসিক দিবা রাত্রির প্রথম টেস্ট ম্যাচে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এই টেস্টকে সামনে রেখে নিউজিল্যান্ড প্রথমবারের মত গোলাপী বল দিয়ে কাজ শুরু করেছে। গতকাল বুধবার গোলাপী বলে প্রথম অনুশীলন সেশন শেষে নিউজিল্যান্ডের উইকেটরক্ষক বিজে ওয়াটলিং নতুন ধরনের বল সম্পর্কে নিজের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে বলেছেন এখনই নির্দিষ্ট করে কোন কিছু বলা সম্ভব নয়।
আগামী ২৭ নভেম্বর এডিলেড ওভালে ঐতিহাসিক এই টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। ওয়াটলিং বলেন, হ্যামিল্টন সিডন ওভালের অনুশীলনে ফ্লাড লাইটের আলোতে গোলাপী কোকাবুরা বলটিকে বেশ উজ্জ্বল মনে হয়েছে। কৃত্রিম আলোতে সহজেই বলকে দেখা যাচ্ছে। মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সাদা বল যেমন দেখা যায় এটা অনেকটা সেরকম অনুভূতি। তবে বিশেষ করে রাতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে।
সাধারণত যে লাল বলে টেস্ট ম্যাচ খেলা হয় তার থেকে কিছুটা উন্নত করে অর্থাৎ ফ্লাড লাইটের আলোতে যাতে সহজে দেখা যায় সেভাবেই গোলাপী বলটি বানানো হয়েছে। মূলত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চিন্তা অনুযায়ী গোলাপী বলে টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের অনুমতি দেয় আইসিসি। ১৩৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দিবা-রাত্রির ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে পাঁচ দিনের ম্যাচ আরো বেশী আকর্ষণীয় হবে এবং টেলিভিশনে দর্শকরা বেশী করে তা উপভোগ করতে পারবে বলেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া রাতের আলোতে টেস্ট খেলার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। চলতি বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ডের শীর্ষ খেলোয়াড়দের মধ্যে এক জরিপে দেখা গিয়েছে বেশীরভাগই পরীক্ষামূলক এই টেস্ট খেলার ব্যপারে সংশয় প্রকাশ করেছিল। তাদের ধারনা এর মাধ্যমে এডিলেড টেস্টের মূল্য অনেকখানি কমে যাবে।
কিন্তু এখন যেহেতু সূচী চূড়ান্ত হয়ে গেছে তাই ওয়াটলিং জানিয়েছেন খেলোয়াড়রা এই চ্যালেঞ্জের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। ওয়াটলিং বলেন, এটা নতুন একটি চ্যালেঞ্জ। আর সে কারনেই আমরা সকলে মুখিয়ে আছি। প্রথমদিনের অনুশীলনে বলটিতে বেশ সুইং আছে বলেই ওয়াটলিং মনে করছেন। কিন্তু এডিলেডের ভিন্ন আবহাওয়ায় বলের চরিত্র কেমন হয় সেটাই কিউইদের মূল চিন্তা। বাসস