ইংল্যান্ডের দশে দশ

লিথুনিয়াকে হারিয়ে বাছাইপর্বে ইংল্যান্ডের শতভাগ জয়ইউরো বাছাইপর্বে ১০টি ম্যাচের দশটিতেই জয়ের দারুন এক সুখকর স্মৃতি নিয়ে আগামী বছর ফ্রান্সের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে যাবে ইংল্যান্ড। গতকাল শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ড লিথুনিয়াকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে এই কৃতিত্ব দেখায়।

এর আগে তিন ম্যাচ হাতে রেখেইে গ্রুপের শীর্ষ দল ও বাছাইপর্বের প্রথম দল হিসেবে ফ্রান্সের টিকেট নিশ্চিত করেছিল রয় হজসনের দল। বাকি তিনটি ম্যাচ ইংলিশদের জন্য ছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ডিসেম্বরে ড্রয়ের আগে বাছাইপর্বের আত্মবিশ্বাসই পাথেয় হয়ে থাকবে ইংল্যান্ডের। গতকাল লিথুনিয়ার এলএফএফ স্টেডিয়ামে অনেকটা খর্বশক্তির দল নিয়ে মাঠে নামলেও কখনই মনে হয়নি ইংল্যান্ড পিছিয়ে আছে। ২৯ মিনিটে এভারটন মিডফিল্ডার রস বার্কলি ইংলিশদের এগিয়ে দেন। ছয় মিনিট পরে হ্যারি কেনের শট আটকাতে গিয়ে লিথুনিয়ার গোলরক্ষক গিয়েড্রিয়াস আরলাসকিস নিজের জালে বল জড়ালে ইংল্যান্ড বিরতির আগেই দুই গোলে এগিয়ে যায়। বিরতির পরপরই আর্সেনালের এ্যালেক্স অক্সালেড-চেম্বারলেইনের গোলে ইংলিশদের জয় নিশ্চিত হয়। ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নশীপের বাছাইপর্বে ষষ্ঠ দল হিসেবে সবগুলো ম্যাচে জয়ী হয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। বর্তমান ফর্মেটে একটি পয়েন্টও নষ্ট না করে এই প্রথম বাছাইপর্ব পার করলো ইংলিশরা। সর্বশেষ ২০১২ সালের প্রতিযোগিতার বাছাইপর্বে স্পেন শতভাগ জয় নিয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

কিন্তু টানা ১৫ ম্যাচে অপরাজিত থাকার পরে গ্রুপ-ই’তে ইংল্যান্ডের খেলার মান ততটা ভাল ছিল না। আর তার থেকেই প্রমানিত হয় হজসনকে এখনো অনেক কাজ করতে হবে। স্প্যানিশ কৃতিত্ব অর্জণ করতে হলে আরো অনেক জায়গায় উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। ম্যাচ শেষে হজসন বলেছেন, এটা দারুন এক কৃতিত্ব। আমি খেলোয়াড়দের পারফরমেন্সে সত্যিই গর্বিত। এই ম্যাচেও আমরা ভাল খেলেছি, বিশেষ করে প্রথমার্ধে। এখানে অনেক পরিশ্রম জড়িত। দশ ম্যাচে দশ জয় দারুন এক বিষয়। এর থেকে অসাধারন এক আত্মবিশ্বাস আমরা পেতেই পারি। বাসস।