শিশু সামিউল আলম রাজন হত্যার প্রধান আসামি কামরুল ইসলামকে সৌদি আরব থেকে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে তাকে নিয়ে আসছে বাংলাদেশ পুলিশ। বিকেল সাড়ে তিনটায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে কামরুলকে নিয়ে ঢাকায় ফিরবেন তিন পুলিশ কর্মকর্তা।
গত ৮ জুলাই সিলেটে শিশু রাজনকে নৃশংসভাবে খুন করে কিছু দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনার তদন্ত শেষে মোট ১৩ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ১০ জনকে আগেই গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার দু’দিন পর ১০ জুলাই প্রধান আসামি কামরুল জেদ্দায় পালিয়ে যায়। প্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে তাকে আটক করেন।
কামরুলকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহাবুবুল করিম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার এ এফ এফ নেজাম উদ্দিন গত ১২ অক্টোবর সৌদি আরব যান।
ম্যাজিস্ট্রেটসহ আরো ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ
সিলেট অফিস জানায়, সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার ৮ম দিনে আরো ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে আদালত। গতকাল বুধবার সিলেট মহানগর ১ম আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাহেদুল করিম, ২য় আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ারুল হক, সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সক তাহমিনা ইসলাম ও জালালাবাদ থানার কনস্টেবল ফয়সল আহমদ সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। সিলেট মহানগর দায়রা জজ আকবর হোসেন মৃধার আদালতে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী শওকত হোসেন চৌধুরী জানান, এ নিয়ে রাজন হত্যা মামলার ৩৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো। গত ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজনকে খুঁটির সাথে বেঁধে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।